আওয়ামী লীগ কখনই ভোটচুরি বা জোর করে ক্ষমতা দখল করে নাই উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েই রাষ্ট্রক্ষমতায় এসেছে।
লন্ডনে স্থানীয় আওয়ামী লীগ আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনায় প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর সফরে বরাবরের মতো এবারও নাগরিক সংবর্ধনার আয়োজন করেছিল যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মানুষ ভোটের অধিকার সম্পর্কে সবসময় সচেতন, তাই ১৫ ফ্রেব্রুয়ারির মতো ভোটারবিহীন নির্বাচন করে খালেদা জিয়া ক্ষমতায় থাকতে পারেনি।
নাগরিক সংবর্ধনায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান খুনি ও দুর্নীতিবাজ যাদের কারণে দেশের ভাবমুর্তি নষ্ট করেছে।
শেখ হাসিনা আরও বলেন, ওই খুনী, চোর, দুর্নীতিবাজ বিএনপি-জামায়াত জোট এরা বাংলাদেশটাকে ধ্বংস করে দেবে। কাজেই এরা যেন আর কোনোদিন ক্ষমতায় আসতে না পারে। জনগণ যেন এদেরকে আর ভোট না দেয়। আগামীতে আওয়ামী লীগই ভোটে জিতবে। জনগণের কাজ করে, জনগণের পাশে থেকে জনগণের ভোটে ইনশাল্লাহ আবার দেশের সেবা করতে পারব আমরা। সেভাবে সবাইকে আত্মবিশ্বাস নিয়ে এগুতে হবে।
আন্দোলনের মাধ্যমে এরশাদকে হটানো ও ৯১ সালের নির্বাচনের প্রক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৯১ সালের নির্বাচনে কোনো দল মেজরিটি পায়নি, যেহেতু কোনো দল একা সরকার গঠন করতে পারবে না তাই জোট হয়ে সরকার গঠনের সুযোগ ছিল। সেসময়ের রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ আমাকে জাতীয় পার্টি ও জামায়াত ইসলামির সমর্থন নিয়ে সরকার গঠনের প্রস্তাব করলে আমি মাফ চেয়ে তা মানা করেছিলাম।
উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে স্মার্ট বাংলাদেশ। ডেল্টা ২১০০ প্ল্যান করে দিলাম। আমাদের দেশটাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। দেশে কোন গৃহহীন, ভূমিহীন থাকবে না। মানুষের কল্যাণে কাজ করে আওয়ামী লীগ। বাংলাদেশে কোনো মানুষ না খেয়ে থাকবে না।
কখনই দেশের সম্পদ বিক্রি করে দেশের মানুষকে বঞ্চিত করে ক্ষমতা চাই না বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। দেশে দেশে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে নেতাকর্মীদের উদ্যোগী হওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।
সরকারি সফরে জাপান, যুক্তরাষ্ট্রের পর বর্তমানে লন্ডনে অবস্থান করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।








