সিরিয়ার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ যে উড়োজাহাজে পালিয়েছেন তা বিধ্বস্ত হয়ে থাকতে পারে বলে শঙ্কা করা হচ্ছে। এর ফলে বাশার আল-আসাদ নিহত হয়ে থাকতে পারেন বলেও ধারণা করা হচ্ছে। যদিও সরকারের পতনের পর বাশার এখন কোথায় আছেন বা শেষ পরিণতি কী হয়েছে, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
সিরিয়ার দুটি সূত্রে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে চলা অভিযান শেষে আজ রোববার (৮ ডিসেম্বর) সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কে প্রবেশ করে বাশার বিরোধী বিদ্রোহীরা। তখন দামেস্ক বিমানবন্দর ছেড়ে যায় একটি উড়োজাহাজ। ‘সিরিয়ান এয়ার ৯২১৮ ফ্লাইটটি’ দামেস্ক থেকে উড়াল দেওয়া সর্বশেষ ফ্লাইট ছিল বলে জানিয়েছে ফ্লাইটরাডার ২৪।
বিশ্বজুড়ে উড়োজাহাজ চলাচলের ওপর নজর রাখা ফ্লাইটরাডার ২৪ এর তথ্যানুযায়ী, দামেস্ক থেকে উড়োজাহাজটি প্রথমে সিরিয়ার উপকূলীয় অঞ্চলের দিকে উড়ে যায়। সেখান থেকে পরে আবার উল্টো পথে যাওয়া শুরু করে। কয়েক মিনিট পর সেটি রাডার থেকে অদৃশ্য হয়ে যায়। ওই উড়োজাহাজে বাশার ছিলেন কি না, নিশ্চিত হতে পারেনি বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
দামেস্ক বিমানবন্দর ছেড়ে যাওয়া উড়োজাহাজটি বিদ্রোহীরা ভূপাতিত করেছে বলেও খবর সামনে এসেছে। সিরিয়ার দুটি সূত্র জানিয়েছে, উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে বাশারের নিহত হওয়ার বড় আশঙ্কা রয়েছে। উড়োজাহাজটি রাডার থেকে অদৃশ্য হয়ে যাওয়া সে ইঙ্গিতই দেয়।
এদিকে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বাশারের ঘনিষ্ঠ মিত্র রাশিয়া জানিয়েছে, বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে বৈঠকে বাশার প্রেসিডেন্ট পদ ছেড়ে দিয়ে দেশত্যাগে সম্মত হন। তবে তিনি কোন দেশে গেছেন বা কোথায় অবস্থান করছেন, সে বিষয়ে কিছু জানায়নি মস্কো।









