দুটি আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে খেলতে থাইল্যান্ডে বাংলাদেশের মেয়েরা। প্রায় এক যুগ পর থাইল্যান্ড মেয়েদের বিপক্ষে নেমে হার দেখেছে পিটার বাটলাররের শিষ্যরা। স্বাগতিকরা বাংলাদেশের চেয়ে ৫১ ধাপ এগিয়ে। প্রথম ম্যাচ হেরে খেলোয়াড়দের মনোভাব নিয়ে ক্ষিপ্ত হয়েছেন বাটলার।
শুক্রবার বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টায় ব্যাংককের থনবুরি বিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ এবং থাইল্যান্ড। প্রথম ম্যাচে ৩-০ গোলে হেরেছে আফঈদা খন্দকারের দল। ম্যাচ শেষে বাফুফের ভিডিও বার্তায় খেলোয়াড়দের মনোভাব নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বাটলার।
খেলোয়াড়দের মনোভাব নিয়া বাটলার বলেছেন, ‘আমি মনে করি কিছু মেয়ে ভুল মনোভাব নিয়ে এসেছিল। আর আমি অলসতা বরদাস্ত করব না। যদি তারা খেলতে চায়, দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে চায়, তাহলে এমন মনোভাব নিয়ে আসতে পারে না যা জাতীয় দলের ফুটবলের উপযুক্ত নয়। আমরা হারি বা জিতি না কেন, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল এটি একটি শিক্ষার প্রক্রিয়া এবং এটি সম্মানের জায়গা।’
‘আমরা অনেক অল্পবয়সী মেয়েকে সুযোগ দিয়েছি। কিন্তু তাদের খেলায় জাতীয় দলের খেলার মতো মনে হয়নি। যেখানে আরও বেশি উন্নয়নের দরকার। আমি মনে করি আমাদের সচেতন হতে হবে এবং সতর্ক থাকতে হবে। যখন আমরা এই ধরনের খেলার আয়োজন করি, তখন আমরা নিশ্চিত করি যে সবকিছু সঠিক আছে।’
‘আমি এখানে অনেক কিছু পেয়েছি। কখনও কখনও পরাজয়ে, আপনি জেতার চেয়ে বেশি শিখতে পারেন। আমি এমন খেলোয়াড়দের খেলা দেখে বেশ খুশি হয়েছি। যারা পরিচিত নাম নয় বরং যাদের সঠিক মনোভাব আছে। তারা আসে এবং কঠোর পরিশ্রম করতে চায় এবং উন্নতি করতে চায়।’
দলকে সতর্ক করে বাটলার বলেছেন, ‘যদি কেউ এসে আমাকে পরীক্ষা করতে চায়, তবে তারা পরীক্ষা করুক। এটা আগেও ঘটেছে। যদি আবার ঘটে, আমি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ থাকব এবং আমি শক্তিশালী থাকব, এবং আমি অসম্মান এবং খারাপ আচরণ সহ্য করব না।’
‘আমি জানি না আমরা টায়ার ওয়ান প্রীতি ম্যাচে ছিলাম কিনা। কারণ আমরা একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন পরিবেশে খেলেছি যেখানে আলো যথেষ্ট শক্তিশালী ছিল না।’









