পাকিস্তানের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট দল মুলতান অঞ্চলের কোচ নাদিম ইকবালের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ এনে মামলা করেছেন এক ক্রিকেটার। পুলিশের তদন্ত চলছে। তবে অভিযোগের প্রেক্ষিতে নাদিমকে এরইমধ্যে বরখাস্ত করেছে পিসিবি।
অভিযোগে বলা হয়েছে, কয়েক বছর আগে মুলতানে পিসিবির নারী ট্রায়ালে অংশ নিয়েছিলেন সেই ক্রিকেটার। তখন নাদিম কোচ ছিলেন।
‘তিনি আমাকে নারী দলে নির্বাচন ও বোর্ডে চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে আমার কাছাকাছি এসেছিলেন। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে তিনি আমাকে যৌন হয়রানি করতে থাকেন। একসময় এতে তার বন্ধুদেরও জড়িত করেন। তিনি এসবের ভিডিও ধারণ করেছিলেন এবং পরে নিয়মিত আমাকে ব্ল্যাকমেইল করতে থাকেন।’
পাকিস্তানের কিংবদন্তি পেসার ওয়াকার ইউনিসের সাথে একই দলের হয়ে প্রথম-শ্রেণির ক্রিকেটে অভিষেক হয়েছিল নাদিমের। নিজেও ছিলেন একজন পেস বোলার। এক ম্যাচে ৭ উইকেট নেয়ার কীর্তি আছে। সেসময় ওয়াকারের থেকেও অনেকে এগিয়ে রাখত তাকে। এবার হতে হল বরখাস্ত।
‘আমরা অবশ্যই এমন কোনো অপরাধের তদন্ত করতে পারি না, যা পুলিশের কাজ। তবে আমাদের তদন্তে খুঁজে পাওয়া যাবে তিনি আমাদের সাথে তার চুক্তির শর্তাবলী লঙ্ঘন করেছেন কিনা।’ বলছে পিসিবি।
পাকিস্তান ক্রিকেটে এরকম ঘটনা নতুন কিছু নয়। ২০১৪ সালে মুলতান ক্রিকেট ক্লাবের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ এনেছিলেন পাঁচ তরুণী ক্রিকেটার। সেসময় বলা হয়েছিল জেলা সমিতির অধিভুক্ত ক্রিকেট ক্লাবের কর্মকর্তারা দলে বাছাইয়ের বিনিময়ে যৌন সুবিধা দাবি করেন। গত বছর লেগ স্পিনার ইয়াসির শাহের বিরুদ্ধে এক তরুণী যৌন নিপীড়নের অভিযোগ আনেন। পরে মামলায় মুক্তি পান ইয়াসির।








