পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের মুক্তি ও সরকারের পদত্যাগের দাবিতে তার দল তেহরিক-ই-ইনসাফের ডাকা ইসলামাবাদমুখী জনস্রোতে উত্তাল দেশটিতে ৪ জন নিরাপত্তা কর্মীসহ ৫ জন নিহত হয়েছেন। গুরুতর আহত হয়েছেন শতাধিক পুলিশ। সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
আজ (২৬ নভেম্বর) মঙ্গলবার একটি প্রতিবেদনে পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম দুনিয়া নিউজ জানিয়েছে, পিটিআইয়ের বিক্ষোভ কর্মসূচি চলায় কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে দেশটির রাজধানী ইসলামাবাদ। নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনায় উত্তাল ইসলামাবাদে সংবিধানের ২৪৫ ধারা সক্রিয় করে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
জিও নিউজের খবর অনুযায়ী, বিক্ষোভকারী ও বিশৃঙ্খলাকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে নিরাপত্তা বাহিনীকে কড়া নির্দেশনা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এমনকি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রয়োজনে বিক্ষোভকারীদের ‘দেখামাত্র গুলি’ চালানোর মতো চরম পদক্ষেপ নেয়ার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।
এ ছাড়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সেনাবাহিনীকে প্রয়োজনে যেকোনো এলাকায় কারফিউ জারি করার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।
এদিকে বাধা উপেক্ষা করে সোমবার রাজধানী ইসলামাবাদের উপকণ্ঠে পৌঁছে যায় পিটিআই নেতা-কর্মীদের গাড়িবহর। এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে দফায় দফায় তাদের সংঘর্ষ হয়।
পরিস্থিতি অশান্ত করার যেকোনো চেষ্টা ও জঙ্গি তৎপরতা কঠোর হাতে দমন করারও থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে প্রশাসনের পক্ষ। পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ একরকম অবরুদ্ধ রয়েছে। বিক্ষোভ ঠেকাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে পিটিআইয়ের পাঁচজন পার্লামেন্ট সদস্যসহ প্রায় ৪ হাজার নেতাকর্মীকে।
গত সোমবার ইসলামাবাদের ডি চক এলাকায় গণ-জমায়েতে যোগ দেন খাইবার পাখতুনখাওয়ার মুখ্যমন্ত্রী আলী আমিন গান্দাপুর ও ইমরান খানের স্ত্রী বুশরা বিবি। সেখানে ইমরান খানকে সাথে নিয়েই ফিরে যাওয়ার ঘোষণা দেন তিনি।









