নেপিয়ারে মার্ক চ্যাপম্যানের সেঞ্চুরিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে সাড়ে তিনশোর কাছাকাছি সংগ্রহ গড়েছিল নিউজিল্যান্ড। পাকিস্তানও ঠিকঠাকই ব্যাট করছিল। ২৪৯ রানে চতুর্থ উইকেট হারায় দলটি। এরপর ২২ রান যোগ করেই গুটিয়ে যায় মোহাম্মদ রিজওয়ানের দল। কিউইদের বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজে প্রথমটিতে ৭৩ রানে হারল পাকিস্তান।
টসে জিতে স্বাগতিকদের আগে ব্যাটে পাঠায় পাকিস্তান। নির্ধারিত ওভার শেষে ৯ উইকেটে ৩৪৪ রান তোলে নিউজিল্যান্ড। জবাবে নেমে ৪৪.১ ওভারে ২৭১ রানে থামে পাকিস্তান।
রানতাড়ায় নেমে পাকিস্তানের শুরুটা খারাপ হয়নি। উদ্বোধনী জুটিতে ৮৩ রান তোলেন আবদুল্লাহ শফিক ও উসমান খান। ১২.৪ ওভারে উসমান ফিরে যান ৩৩ বলে ৩৯ রান করে। দলীয় ৮৮ রানে ফিরে যান শফিক, ৪৯ বলে ৩৬ রান করেন। মোহাম্মদ রিজওয়ানকে নিয়ে ছুটছিলেন বাবর আজম। দুজনে মিলে যোগ করেন ৭৯ বলে ৭৬ রান।
২৮.৫ ওভারে ১৬৪ রানে রিজওয়ান ফিরে যান ৩৪ বলে ৩০ রান করে। পরে সালমান আগাকে নিয়ে ৫৯ বলে ৮৫ রান যোগ করেন বাবর। ৩৮.৪ ওভারে ২৪৯ রানে বাবর ফিরে যান। ৮৩ বলে ৭৮ রান করেন তিনি।
এরপরই ধস নামে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপে। ব্যাটাররা কেবল আসছেন আর গেছেন। শেষ ছয় ব্যাটারের ব্যাট থেকে এসেছে কেবল ৩ রান। সর্বোচ্চ ৬ বল ক্রিজে ছিলেন নাসিম শাহ। তবে রান পাননি। সালমান আগা টিকে থাকায় পাকিস্তানের স্কোর বোর্ডে আরও ২২ রান যোগ হয়। ২৭১ রানে সালমান ফিরে যান। তিন বল পরেই গুটিয়ে যায় পাকিস্তানের ইনিংস।
কিউই বোলারদের মধ্যে নাথান স্মিথ ৪ উইকেট নেন। এছাড়া জ্যাকব ডাফি ২ উইকেট নেন।
এর আগে ব্যাটে নেমে কিউইদের হয়ে সর্বোচ্চ রান করে মার্ক চ্যাপম্যান। ১৩টি চার ও ৬টি ছক্কায় ১১১ বলে ১৩২ রান করেন তিনি। চারটি করে চার ও ছক্কায় ৮৪ বলে ৭৬ রান করেন ড্যারিল মিচেল। এছাড়া তিনটি করে চার ও ছক্কায় ২৬ বলে ৫২ রান করেন মুহাম্মদ আব্বাস।
পাকিস্তান বোলারদের মধ্যে ইরফান খান তিন উইকেট নেন। আকিফ জাভেদ ও হারিস রউফ নেন দুটি করে উইকেট।









