কুমিল্লার দক্ষিণাঞ্চলে বন্যাকবলিত চার উপজেলায় দেখা দিয়েছে স্বাস্থ্য ঝুঁকি। বন্যার পানি দীর্ঘ সময় লোকালয়ে আটকে থাকায় চর্মরোগ, ডায়রিয়া, কলেরাসহ বিভিন্ন রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। বেশি ঝুঁকিতে পড়ছে শিশু ও বৃদ্ধরা।
কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার রাজাপুর গ্রামটি প্লাবিত হয়ে আছে গত দশ দিন ধরে। লোকালয় থেকে দীর্ঘ সময় বানের পানি না সরায় বিশুদ্ধ পানি এবং নিরাপদ স্যানিটেশনের অভাবে সেখানে দেখা দিয়েছে নানা রোগ। ছোট-বড় প্রায় সবাই চর্মরোগে আক্রান্ত হচ্ছে। কেউ ডায়রিয়া-কলেরায়ও আক্রান্ত।
গ্রামটি জেলার শেষ সীমানায় হওয়ায় সেখানে পৌঁছাচ্ছে না পর্যাপ্ত ত্রাণ। দু’একটি সংগঠন যে খাবার দিয়েছে তাও অপ্রতুল। পর্যাপ্ত ওষুধ ও বিশুদ্ধ পানির জন্য বুক সমান পানি ঠেলে যেতে হচ্ছে অনেক দূরে।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য মতে, বন্যা কবলিত এলাকা এবং আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে নানান পানিবাহিত রোগ দেখা দিচ্ছে। একই সাথে রয়েছে সাপে কাটার ভয়ও। তবে প্রতিটি ইউনিয়নে স্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং স্পিডবোট-নৌকা থেকে স্বাস্থ্য সেবা দেয়ার চেষ্টা চলছে।
জেলার ডেপুটি সিভিল সার্জন মো. নাজমুল আলম জানান, কুমিল্লা জেলায় বন্যাকবলিত মানুষের সংখ্যা ১০ লাখ ২৬ হাজার। আশ্রয়কেন্দ্রে আছে প্রায় ৮০ হাজার মানুষ।









