“সরকার অনুমতি দিয়েছেন ঈদ-পূজার মতো বড় ফেস্টিভ্যালের বাইরে বছরে ১০টি উপমহাদেশের ছবি আসতে পারবে। সরকারের যাবতীয় নিয়মনীতি মেনেই ‘জওয়ান’ আনছি। নিয়মের বাইরে কিছুই করি না।”
ভারতের সাথে একই দিনে বাংলাদেশে ‘জওয়ান’ মুক্তি নিয়ে বললেন আমদানি প্রতিষ্ঠান অ্যাকশানকাট এর কর্ণধার অনন্য মামুন।
তিনি বলেন,‘হুট করে তো জওয়ান এর মতো ছবি আসছে না। দীর্ঘদিন এটি প্রক্রিয়ায় ছিল। বড় কোনো ট্র্যাজেডি না ঘটলে ৮ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে ‘জওয়ান’ মুক্তি কেউ ঠেকাতে পারবে না। সেই অনুযায়ী তথ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমতি পেয়েছি।
পরিবেশক মামুন আরও বলেন, এবার ঈদে আমাদের একাধিক ছবি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড মুক্তি পেয়ে ভালো ব্যবসা করেছে। তাহলে আমাদের দেশে কেন বাইরের ছবি আসবে না? হিন্দি ছবি আনলে কালচার নষ্ট হবে বলে যারা বলে তারা এ কথা বলার আগেই হয়তো কোনো না কোনো হিন্দি গান দেখে এমন মন্তব্য করেছে!
মামুন জানিয়েছেন, আমদানি নীতিতে ‘জওয়ান’ এর পরিবর্তে ইন্ডিয়াতে মুক্তি পাবে ঢাকার সুপারস্টার শাকিব খানের ছবি ‘নবাব এলএলবি’।
এদিকে, ৮ সেপ্টেম্বর দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে যাচ্ছে দীপংকর দীপন পরিচালিত তারকাবহুল প্রতীক্ষিত ছবি ‘অন্তর্জাল’। সেই হিসেবে বাংলাদেশের সিনেমা হলগুলোতে এই ছবির সঙ্গে ক্ল্যাশ হতে পারে ‘জওয়ান’র, এমনটা মনে করছেন সংশ্লিষ্ঠরা। অনেকেই বলছেন, সাড়ে তিনশো কোটির ‘জওয়ান’র সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকবে না সিয়াম-মিমদের ‘অন্তর্জাল’। এতে করে দেশের সিনেমারই ক্ষতি হবে।
অনন্য মামুন বললেন, এর উল্টোটাও ঘটতে পারে। মিশন ইমপসিবল, ওপেন হেইমার, বারবি’র মতো ছবির চেয়েও ঈদে প্রিয়তমা, সুড়ঙ্গ ভালো চলেছে। এগুলোর টিকেট না পেয়ে অনেক দর্শক হলিউডের ছবি দেখেছে। আমার মনে হয় ‘জওয়ান’ এবং ‘অন্তর্জাল’ একসাথে চললে সিনেমা হলগুলোতে ফেস্টিভ্যাল বিরাজ করবে। তাই দুটি ছবিকেই সাপোর্ট করা উচিত। কোন ছবি ভালো চলবে বা কম চলবে এটা নির্ধারিত হয় দর্শকদের সাপোর্টে।
এদিকে, শাকিব খানকে নিয়ে ‘দরদ’ নামে একটি প্যান ইন্ডিয়ান ছবি করবেন বলে কিছুদিন ধরে জানিয়ে আসছেন অনন্য মামুন। তিনি জানান, নির্দিষ্ট করে জানাতে চাইনা, শুটিং শুরুর আগেই সবকিছু জানাবো। যেহেতু শাকিব খান বাংলাদেশের একমাত্র সুপারস্টার সেই কারণে তার প্রতি দর্শকদের আগ্রহ বেশি। প্যান ইন্ডিয়ান ছবি আসলে মুখের কথা না, সবকিছু গোছাতে সময় লাগছে। ‘দরদ’ ছবিটি হবে এটা নিশ্চিত।







