পাকিস্তানি বোলারদের তুলোধুনো করে ব্যাট হাতে ঝড় তুলেছিলেন ডেভিড ওয়ার্নার। বেঙ্গালুরুতে ১৪টি চার ও ৯টি ছক্কায় ১২৪ বলে খেলেন ১৬৩ রানের আগ্রাসী ইনিংস। টানা তিন বিশ্বকাপে দেড়শর অধিক রানের ইনিংস খেলা অজি ওপেনার তার দীর্ঘকালের ওয়ানডে সাফল্যের রহস্য ফাঁস করেছেন।
৩৬ বর্ষী বাঁহাতি ব্যাটার ফিটনেস ধরে রেখে একদিনের ক্রিকেটে ধরে রেখেছেন ছন্দ। ব্যাট হাতে বাইশ গজে সুযোগ পেলেই ঝড় তোলেন। লম্বা সময় ধরে ফর্ম ধরে রাখা নিয়ে খোলামেলা কথাই বললেন।
‘আমি মনে করি ভারতে টি-টুয়েন্টি ক্রিকেটে, বিশেষ করে আইপিএলে আমার গিয়ার পরিবর্তন করতে কিছুটা শিখেছি। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে খেলতে গিয়ে অনেক কিছু শিখেছি।’
‘আপনি যতটা ভাবছেন তার থেকে অনেক বেশি সময় ক্রিকে থাকতে পারবেন। বিশেষভাবে এই মাঠগুলোতে আপনি যদি সময় নিয়ে টিকে থাকতে পারেন, তবে বড় স্কোর করতে পারেন। সেটাই আজ অনুভব করলাম।’
ব্যাটিংয়ের সময় ৩৫ ওভার পর্যন্ত ক্রিজে টিকে থাকার পরিকল্পনায় থাকেন বলে জানান এ অজি ক্রিকেটার। বল মোকাবিলার আগে পা খানিকটা পেছন দিকে দিয়ে বড় শট খেলার কৌশলটা কাজে লেগেছে জানিয়ে বলেন, ‘আপনার মনের ভেতর তখন কাজ করবে যে বল খেলার জন্য অনেক সময় পেয়েছেন।’
নিজের ব্যাটিংয়ে উন্নতির জন্য ওয়ার্নার টেস্ট ক্রিকেটের ভূমিকার কথাও স্বীকার করেন। তার ভাষ্য, ‘টেস্ট ক্রিকেট খেলার পর আপনার গিয়ারগুলো খুব সহজেই পরিবর্তন করতে পারেন।’
‘ওয়ানডেতে প্রথম ১০ ওভারে নতুন দুই বল খেলার সময় আপনাকে সমীহ করতে হবে। তারপর চড়াও হয়ে নিজের রানকে ১০ থেকে ৫০ পর্যন্ত টানতে পারেন। সেখান থেকে আপনি নিজের জন্য প্ল্যাটফর্ম সাজিয়ে নিন, এটিই আপনার শক্তি। আপনি ব্যাটিং চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টায় থাকুন।’
টসে হেরে ৯ উইকেট হারিয়ে ৩৬৭ রানের বিশাল সংগ্রহ পায় অস্ট্রেলিয়া। পাঁচবারের শিরোপাধারীদের হয়ে বিশ্বকাপে উদ্বোধনী জুটিতে সর্বোচ্চ ২৫৯ রানের রেকর্ড গড়েন মিচেল মার্শ ও ডেভিড ওয়ার্নার। এক পর্যায়ে মনে হচ্ছিল অজিদের পক্ষে চারশ রান করাও সম্ভব। ওয়ার্নার নিজেও এমনটি মনে করেন।
‘আমরা ব্যাট হাতে কিছুটা সুযোগ হাতছাড়া করেছি। প্ল্যাটফর্মটা আমরা খুব ভালোভাবে প্রস্তুত করেছিলাম। আমি যতটা ভেবেছিলাম, সেই অনুযায়ী ব্যাটিং ইউনিট কাজ করেনি। আমরা যে অবস্থানে ছিলাম, তাতে সম্ভবত ৪০০ রান করাটা সম্ভব ছিল।’







