নির্বাচনী প্রচারণায় খেলোয়াড়দের ব্যবহার না করার বিষয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। ক্রিকেটার-ফুটবলারসহ বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের সব খেলোয়াড়দের ক্ষেত্রেই এ নির্দেশনা প্রযোজ্য হবে।
সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানিয়েছে এনএসসি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা দেশের সম্পদ এবং নাগরিকদের একাত্মতার প্রতীক। তাদের ভাবমূর্তি কোনো রাজনৈতিক বা নির্বাচনী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হওয়া ক্রীড়াঙ্গনের নিরপেক্ষতা ও পবিত্রতার জন্য ক্ষতিকর। আগামী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কিছু মহল বা ব্যক্তি খেলোয়াড়দের নির্বাচনী প্রচারণায় রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার চেষ্টা করছেন। এটি ক্রীড়ানীতি বিরোধী এবং ক্রীড়াঙ্গনের পরিবেশ কলুষিত করতে পারে।
নির্দেশনা অনুযায়ী জাতীয় দলের কোনো খেলোয়াড় সরাসরি অথবা পরোক্ষভাবে রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিতে পারবেন না। বা কোনো প্রার্থীর হয়ে কাজ করতে পারবেন না।
খেলোয়াড়দের কোনো নির্বাচনী সভার মঞ্চে এবং প্রচারণামূলক কার্যক্রমে অংশ নেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। সব খেলোয়াড়কে তাদের ক্রীড়া নৈপুণ্যের মাধ্যমে দেশের সুনাম অক্ষুণ্ণ রাখতে হবে এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নির্দেশনা কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।
সতর্ক করে এনএসসি বলেছে, এই নির্দেশনার ব্যত্যয় দেশের সুস্থ ক্রীড়া পরিবেশকে মারাত্মকভাবে কলুষিত করতে পারে। সংশ্লিষ্ট সবাইকে এই নির্দেশনা যথাযথভাবে পালন করতে বলা হয়েছে।
এর আগে বিভিন্ন সময় দেখা গেছে বর্তমান খেলোয়াড়রাও নির্বাচনে অংশ নেন। তাদের পক্ষে প্রচারণাতে অংশ নিতে দেখা যায় বিভিন্ন খেলোয়াড়দের। তবে এবার সেটা হতে দিচ্ছে না ক্রীড়া পরিষদ। নির্বাচনের তফসিল এখনও ঘোষণা না হলেও আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে।









