গত শনিবার ১ জুন শেষ হয়েছে ভারতের ১৮তম লোকসভা নির্বাচনের শেষ দফা ভোটগ্রহণ। মঙ্গলবার জানা যাবে চূড়ান্ত ফল। ভারতবাসী অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন-কে হতে যাচ্ছেন ভারতের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী।
বেশিরভাগ বুথ ফেরত জরিপ বলছে, বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ (ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স) আবারও জয়ী হতে যাচ্ছে। এতে দেখা যাচ্ছে, গত দুবারের মতো এবারও নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা (৩৫০টির বেশি আসন) অর্জন করতে যাচ্ছে মোদির বিজেপির নেতৃত্বাধীন জোট এনডিএ।
বুথ ফেরত বিভিন্ন জরিপে জানা যায়, ৫৪৩ আসনের মধ্যে কমপক্ষে ৩৫০ আসন পেতে যাচ্ছে বিজেপি। কোনো কোনো জরিপে অবশ্য বিজেপির ৪০০ আসন পাওয়ার ভবিষ্যদ্বাণী করা হচ্ছে। যদিও ভারতের লোকসভা নির্বাচনে কোনো দল বা জোটকে সরকার গঠনের জন্য দরকার ২৭২ আসন।
এদিকে,কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়া জোট বলছে, এসব বুথ ফেরত জরিপের কোনো ভিত্তি নেই। অতীতে বুথ ফেরত জরিপ ভুল প্রমাণিত হওয়ার অনেক নজির দেখা গেছে। এবার কংগ্রেস জোট অন্তত ২৯৫টি আসনে জিতবে।
মোদি যখন জয়ের দাবি করছেন তখন তার প্রধান বিরোধী দল রাহুল গান্ধীর ভারতীয় কংগ্রেসও একই দাবি করেছে। দলটি বলছে, তারা এবার ২৯৫টিরও বেশি আসনে জয় পাবে এবং সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করবে।
ইন্ডিয়া জোটে সবচেয়ে বড় দল কংগ্রেস। তারাই সারা ভারতে সবচেয়ে বেশি আসনে প্রার্থী দিয়েছে। সেই হিসেবে, জয়ী হলে বেশির ভাগ আসন কংগ্রেসেরই পাওয়ার কথা।
কংগ্রেস যদি সর্বাধিক আসনে জয় পায়, সেক্ষেত্রে কংগ্রেসের পক্ষ থেকেই প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। বিশ্লেষকদের মতে, রাহুল গান্ধী আগের চেয়ে অনেক বেশি পরিপক্ক হয়ে উঠেছেন। বিশেষ করে বিগত ১০ বছরের মোদি শাসনামল তাকে বুদ্ধি, কৌশল ও অভিজ্ঞতায় একজন পোড়খাওয়া নেতায় পরিণত করেছে। তার জনপ্রিয়তাও আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে।









