নোবেলজয়ী ও ভেনেজুয়েলার বিরোধীদলীয় নেতা মারিয়া করিনা মাচাদো মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নোবেল শান্তি পুরস্কার উৎসর্গ করেছেন। একইসাথে ভেনেজুয়েলার জনগণকেও নোবেল উৎসর্গ করেছেন মারিয়া কোরিনা।
এক্স-হ্যান্ডেলে দেওয়া এক পোস্টে মারিয়া বলেন, ভেনেজুয়েলার মানুষের সংগ্রামের এই বিশাল স্বীকৃতি আমাদের কাজ সম্পন্ন করার জন্য একটি প্রেরণা, স্বাধীনতা অর্জন। আমরা বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে। আজ থেকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, মার্কিন জনগণ, ল্যাটিন আমেরিকার দেশগুলো ও বিশ্বের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলো আগের তুলনায় আরও ভালো মিত্র।
তিনি লিখেন, আমি এই পুরস্কার উৎসর্গ করছি ভেনেজুয়েলার দুর্ভোগে জর্জরিত জনগণকে এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে — আমাদের উদ্দেশ্যের প্রতি তার দৃঢ় সমর্থনের জন্য।
শুক্রবার নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি ঘোষণা করে যে, ভেনেজুয়েলায় গণতান্ত্রিক উত্তরণ অর্জনের সংগ্রামের জন্য মাচাদোকে শান্তি পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। তিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ঐক্যবদ্ধ নেতৃত্বের প্রতীক, যিনি রাষ্ট্রপতি নিকোলাস মাদুরোর শাসনে নিপীড়নের শিকার হয়েও লক্ষ লক্ষ মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছেন।
নোবেল কমিটির চেয়ারম্যান জর্গেন ওয়াটনে ফ্রাইডনেস জানান, গত এক বছর মাচাদো আত্মগোপনে ছিলেন। জীবনের হুমকি সত্ত্বেও তিনি দেশত্যাগ করেননি। এই সাহসিকতা লাখো মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছে।
নোবেল প্রাপ্তির সংবাদ জানার পর প্রতিক্রিয়ায় মাচাদো বলেন, আমি মর্মাহত। আমি এটা বিশ্বাসই করতে পারছি না। এটি ভেনেজুয়েলার জনগণের প্রাপ্য। আমি কেবল একটি বৃহৎ আন্দোলনের অংশ। এই স্বীকৃতি আমাকে কৃতজ্ঞ ও সম্মানিত করেছে।
তিনি বলেন, ভেনেজুয়েলা এখন স্বাধীনতা এবং এই অঞ্চলের শান্তি অর্জনের একেবারে কাছাকাছি, যদিও এই পথে আমরা সবচেয়ে নৃশংস সহিংসতা দেখেছি।
মাচাদোর মিত্র, বর্তমানে স্পেনে নির্বাসিত এডমুন্ডো গঞ্জালেজ এই পুরস্কারকে ‘একটি অত্যন্ত প্রাপ্য স্বীকৃতি’ বলে অভিহিত করেছেন।









