টানা ৩ দিনের বৃষ্টিতে অবনতি হয়েছে নোয়াখালীর বন্যা পরিস্থিতি। নতুন করে প্লাবিত হচ্ছে গ্রাম, শহর, উপজেলা। দূর্গম গ্রামআঞ্চলে খাবারের জন্য হাহাকার চলছে। নিত্যপন্যের সংকট আর দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি বানভাসীদের জীবনকে করেছে আরও সংকটাপন্ন।
টানা তিন দিনের ভারী বর্ষণ ও অতিরিক্ত পানির চাপে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের ছোট ফেণী নদীতে ভেঙ্গে গেছে মুছাপুর ক্লোজার রেগুলেটর। সেসাথে সাগরে অতিরিক্ত জোয়ারের পানিতে অবনতি হয়েছে বন্যা পরিস্থিতির। নতুন করে প্লাবিত হয়েছে কবিরহাট, সেনবাগ, সোনাইমুড়ি ও চাটখিল উপজেলার নতুন নতুন এলাকা।
পানি বেড়ে যাওয়ায় দূর্গম গ্রামে যাচ্ছে না সরকারি ত্রাণ। সীমাহীন কষ্টে আছে পানিবন্দী মানুষ। সেই সাথে আছে সাপের আতঙ্ক। দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি ও পানিবাহিত রোগ বানবাসী মানুষদের সংকট বাড়িয়ে দিয়েছে বহুগুন। ডায়রিয়া রোগে ২৫৭ জন ও সাপের কামড়ে ৭১ জন সদর হাসপাতালে ভর্তি। পানিতে ডুবে ও বিদ্যুতস্পৃষ্ট হয়ে ৮ জনের মৃত্য হয়েছে।
আগামী ৪৮ ঘণ্টায় বঙ্গোপসাগরে আরেকটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে এবং সেই সাথে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে জেলা আবহাওয়া অফিস। এই পরিস্থিতিতে জেলার ১১৬৯ আশ্রয়কেন্দ্রে ২ লক্ষ ১৬ হাজার ৮৩৪ জান মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন।









