ঈদের দিন চ্যানেল আইয়ের পর্দায় ওয়ার্ল্ড টিভি প্রিমিয়ার হবে মাসুদ পথিক পরিচালিত ‘নেকাব্বরের মহাপ্রয়াণ-এর। ঈদের দিন বিকেল ১.১৫ মিনিটে প্রচার হবে সিনেমাটি।
‘নেকাব্বরের মহাপ্রয়াণ’ ২০১৪ সালের একটি বাংলা চলচ্চিত্র। নির্মলেন্দু গুণ রচিত ‘নেকাব্বরের মহাপ্রয়াণ’ কবিতা অবলম্বনে চলচ্চিত্রটির চিত্রনাট্য লিখেছেন মাসুদ পথিক এবং সংলাপ লিখেছেন রাজিব আহসান ও মাসুদ পথিক।
বাংলাদেশ সরকার-এর অনুদানপ্রাপ্ত চলচ্চিত্রটি প্রযোজনা ও পরিবেশনা করেছে ব্রাত্য চলচ্চিত্র। এতে নাম চরিত্রে (নেকাব্বর) অভিনয় করেছেন জুয়েল জহুর এবং ফাতেমা চরিত্রে অভিনয় করেছেন শিমলা। কয়েকটি উল্লেখযোগ্য চরিত্রে মামুনুর রশীদ, প্রবীর মিত্র, রানী সরকার, বাদল শহীদ, রেহানা জলি প্রমুখ। আরও অভিনয় করেছেন প্রখ্যাত কবি নির্মলেন্দু গুণসহ আরো ১৫ জন কবি।
চলচ্চিত্রটিতে কাহিনি চিত্রের পাশাপাশি তথ্যচিত্রের আবহকে ধারণ করার চেষ্টা করে, প্রেম, প্রকৃতি ও মুক্তিযুদ্ধের গাথা সূত্রে তথ্যের ইমেজ ধরে আবহমান বাংলার নিবিড় সংস্কৃতি, জীবনের অন্তর্গত দর্শন, তথা জীবনবোধকে তুলে ধরা হয়েছে।
চলচ্চিত্রটি প্রাথমিকভাবে ৫টি বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ঘোষিত হয়। পরে বৃহন্নলা চলচ্চিত্রের বিরুদ্ধে গল্প চুরির অভিযোগ উঠলে ‘নেকাব্বরের মহাপ্রয়াণ’ শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র বিভাগেও পুরস্কৃত হয়। অন্য বিভাগগুলো হল শ্রেষ্ঠ গীতিকার, শ্রেষ্ঠ সঙ্গীত পরিচালক, শ্রেষ্ঠ সুরকার, শ্রেষ্ঠ নারী কণ্ঠশিল্পী, শ্রেষ্ঠ রূপসজ্জাকার।
একজন বঞ্চিত মানুষের প্রতিকৃতি হচ্ছেন নেকাব্বর। যিনি অন্যায়ভাবে তার সম্পদ হারিয়েছেন, ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিয়ে তিনি তার প্রেমিকাকে হারিয়েছেন, যুদ্ধে একটি পা খুইয়েছেন। যুদ্ধের পরে পঙ্গু হয়ে বাকি জীবনটা কাটাতে হয়েছে। তাকে পাগলা গারদেও থাকতে হয়েছে। পাগলা গারদ থেকে বেরিয়ে অনাহারে থেকেছেন, পেয়েছেন সমাজের বঞ্চনা আর লাঞ্ছনা। একজন নেকাব্বর এমনি লাঞ্ছনা বঞ্চনা সহ্য করতে করতে একসময় মৃত্যুবরণ করেন।







