২০২০ সালে সাউথ আফ্রিকায় অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলাদেশ। আসরে আকবর আলি-তাওহীদ হৃদয়দের কোচ ছিলেন নাভিদ নেওয়াজ। বিশ্বজয়ী লঙ্কান কোচকে আবারও ফেরাল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। দ্বিতীয় মেয়াদে টাইগার যুবাদের দায়িত্ব নিয়েছেন নাভিদ।
স্টুয়ার্ট ল’র চুক্তি নবায়ন না হওয়ায় গতমাসে লঙ্কান কোচকে নিযুক্ত করে বিসিবি। ২০২৬ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ পর্যন্ত দুবছরের চুক্তি হয়েছে তার সঙ্গে। যুবাদের সামলানোর পাশাপাশি বয়সভিত্তিক ব্যাটিং পরামর্শক হিসেবেও কাজ করবেন।
২০২২ সালে যুব বিশ্বকাপে ব্যর্থ হয় বাংলাদেশ। পরে চুক্তি নবায়ন না হলে শ্রীলঙ্কার সহকারী কোচ হিসেবে নিয়োগ পান নেওয়াজ। চলতি বছর মার্চে সেই দায়িত্ব ছাড়েন। দ্বিতীয় মেয়াদে বাংলাদেশের যুবাদের নিয়ে কাজ করার সুযোগ পেয়ে রোমাঞ্চিত তিনি।
সোমবার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন লঙ্কান কোচ। সেখানে জানিয়েছেন বাংলাদেশে ফিরতে পেরে নিজের স্বস্তি ও পরিকল্পনার কথা।
‘বাংলাদেশের মানুষ ক্রিকেট পাগল। তারা খেলাকে অনেক ভালোবাসে। খেলোয়াড়দের প্রতি তাদের প্রত্যাশা থাকে। খেলোয়াড়রা তা বহন করে। ২০২০ বিশ্বকাপ জয়ের পর আবার বাংলাদেশে ফিরে এসেছি। অবশ্যই আমার উপর প্রত্যাশা থাকবে। তবে আমি মনে করি, আমাকে ফোকাস করতে হবে। এখনও অনেক কাজ বাকি আছে।’
‘বরাবরের মতো বিসিবি এবারও দারুণ কিছু পরিকল্পনা সাজিয়েছে, যা অতীতে সাফল্য এনে দিয়েছে। আশা করছি, এবারও তা কাজে দেবে। আমরা আমাদের অভিজ্ঞতা ভাগ করবো। আগামী দুই বছরে ছেলেদের প্রস্তুত করতে চেষ্টা করবো। তাদের ঠিক এমন অভিজ্ঞতা দিতে চাই, যা চার বছর আগে করেছি।’
‘আগামী দুই বছরের জন্য পরিকল্পনাটি খুবই সহজ, আমরা জানি সারাবিশ্বে অনূর্ধ্ব-১৯ ছেলেরা কীধরনের ক্রিকেট খেলে। আমার প্রথম কাজ হবে নির্বাচকদের সঙ্গে বসা। একটি দুর্দান্ত দল গড়তে আমাদের কীধরনের প্রতিভা থাকতে হবে, তা বের করে আনা।’
‘প্রতিভাবান ক্রিকেটারদের মধ্যে যথেষ্ট গভীরতা আছে। আমি বাংলাদেশের সব জায়গায় যেতে চাই, প্রতিভাবান ক্রিকেটারদের খুঁজে বের করতে চাই। আমরা দুই বছরে এমন একটি দল তৈরি করতে চাই যা অন্য যেকোনো দলের সাথে তুলনা করার মতো হবে।’









