সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে বাংলাদেশের বোলিং তোপে আটকে গেছেন আইরিশ ব্যাটাররা। মোস্তাফিজুর রহমান-রিশাদ হোসেনের ম্যাজিকে ১১৭ রানে গুটিয়ে গেছে আয়ারল্যান্ড। পাঁচটি ক্যাচ নিয়ে রেকর্ডে নাম তুলেছেন তানজিদ হাসান তামিম। আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টিতে এক ম্যাচে সর্বোচ্চ ক্যাচের যৌথ রেকর্ড হয়েছে।
চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে টসে জিতে বাংলাদেশকে বোলিংয়ে পাঠায় আয়ারল্যান্ড। নির্ধারিত ১৯.৫ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে ১১৭ রানে থামে সফরকারী দল।
টি-টুয়েন্টিতে এক ম্যাচে সর্বোচ্চ ক্যাচের রেকর্ড হয়েছে তানজিদের। টাইগার ওপেনারের আগে আরও দুজন অবশ্য এই কীর্তি গড়েছেন। ২০২৩ সালে কাতারের বিপক্ষে ৫ ক্যাচ নিয়েছেন মালদ্বীপের ওয়েজ জানাকা মালিন্দা, গত সেপ্টেম্বরে আইল অব ম্যানের বিপক্ষে সমান ক্যাচ নিয়েছেন সুইডেনের সেদিক সাহাক। তবে আইসিসির পূর্ণ সদস্য দেশের ফিল্ডারদের মধ্যে তানজিদই প্রথম কীর্তিটি গড়লেন।
প্রথমে ভালো শুরু করেন দুই ওপেনার। চতুর্থ ওভারে টিম টেক্টরকে বোল্ড করে সাজঘরে ফেরান মোস্তাফিজ। দলীয় ৩৮এ ১০ বলে দুই চার ও এক ছক্কায় ১৭ রান করে যান টেক্টর।
তিনে নেমে সফলতা পাননি হ্যারি টেক্টর। শরিফুল ইসলাম পাওয়া প্লের শেষ ওভারে তাকে বোল্ড করেন। ৬ বলে এক চারে ৫ রান করে যান তিনি। চারে নামা লোরকান টাকারকে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলেন শেখ মেহেদী। ১ রানে ফেরেন তিনি। এরপর কার্টিস ক্যাম্ফেরকে (৯) বোল্ড করেন রিশাদ।
ওপেনার-অধিনায়ক পল স্টার্লিং আউট হন ২৭ বলে ৩৮ রানে। পাঁচ চার ও এক ছয়ে ফেরেন রিশাদের বলে, লংঅনে ক্যাচ তুলে সাইফ হাসানের হাতে। সাতে নামা গ্যারেথ ডেলানিকেও (১০) ফেরান রিশাদ। ১৮তম ওভারে ২ উইকেট তুলে নেন মোস্তাফিজ।
মোস্তাফিজ ১১ রানে নেন ৩ উইকেট। ২১ রানে ৩ উইকেট রিশাদের। শরিফুল নিয়েছেন ২১ রানে ২ উইকেট। একটি করে উইকেট নিয়েছেন শেখ মেহেদী ও সাইফউদ্দিন। রিশাদের ৫৫ ম্যাচে ৭১ উইকেট হল, টি-টুয়েন্টিতে শেখ মেহেদীকে ছাড়িয়ে বাংলাদেশের চতুর্থ উইকেট শিকারী এখন তারকা এ লেগ স্পিনার।









