ফেরানো গেল না অভিনেত্রী রিশতা লাবনী সীমানাকে। মঙ্গলবার সকাল ৬টায় তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মৃত্যুতে শুধু নাটক কিংবা তথা সাংস্কৃতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া। গুণী এই অভিনেত্রীর স্মরণে চ্যানেল আইতে রাখা হয়েছে শোক বই।
বহু জনপ্রিয় নাটকে অভিনয় করে দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছিলেন ‘লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার’ দিয়ে শোবিজে পা রাখা এই অভিনেত্রী। নাটকের পাশাপাশি চলচ্চিত্রেও কাজ করেছেন তিনি। ২০০৭ সালে মুক্তি পাওয়া ইমপ্রেস টেলিফিল্মের ছবি ‘দারুচিনি দ্বীপ’ দিয়ে বড়পর্দায় পা রাখেন তিনি।
মাঝখানে অভিনয় থেকে কিছুদিনের বিরতিতে থাকলেও বছর দুয়েক ধরে আবার নিয়মিত হয়েছিলেন সীমানা। তার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই চ্যানেল আই কার্যালয়ে রাখা হয়েছে ছবিসহ তার নামে একটি শোক বই।
যেখানে তাকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করছেন শোবিজ অঙ্গনের পরিচিত মুখ থেকে সাধারণ ভক্ত অনুরাগীরাও। মঙ্গলবার সকাল থেকেই শোক বইয়ে বহু গুণীজনকে দেখা গেছে সীমানাকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করতে।
এদিন দুপুর সোয়া ১২টায় চ্যানেল আইয়ের প্রধান কার্যালয়ে সীমানাকে শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানানো হয়। অনুষ্ঠিত হয় প্রথম নামাজে জানাজা। প্রায় ১টার দিকে অভিনেত্রীর মরদেহ নিয়ে গ্রামের বাড়ি শেরপুরের নকলার উদ্দেশে রওনা করেন তার পরিবারের সদস্যরা। সীমানার ছোট ভাই এজাজ বিন আলী জানান, বাদ মাগরিব আরও একটি জানাজা শেষে পারিবারিক গোরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
অসুস্থ হয়ে প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে অচেতন ছিলেন সীমানা। গেল মাসে তার মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের কারণে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল। আশানুরূপ উন্নতি হয়নি বলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের সাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। সেখানে মঙ্গলবার (৪ জুন) ভোর ছয়টায় সীমানা শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।
শোবিজে সীমানার পথচলা শুরু হয় ২০০৬ সালে লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতার মাধ্যমে। এরপর থেকে তিনি নাটক, বিজ্ঞাপনে নিয়মিত কাজ করছিলেন।








