নিবন্ধন সনদধারীদের অবিলম্বে নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানিয়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন ১-১২তম শিক্ষক নিবন্ধনের মাধ্যমে চাকরি প্রত্যাশী শিক্ষক পরিষদ।
রাজধানীর শাহবাগের জাতীয় জাদুঘরে সামনে অনুষ্ঠিত অবস্থান কর্মসূচিতে তারা আগের নিয়োগের নানা অভিযোগও তুলেন।
তাদের অভিযোগ একজনের নিবন্ধন সনদ আরেকজন ব্যবহার করে চাকরি করছে। এমন ৬০ হাজারের বেশি জাল সনদধারীদের বিভিন্ন সময় নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। জনপ্রতি জাল সনদ ২ লাখ ও এমপিও ভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকরি দিতে ৮ লাখ টাকা নেওয়া হয়েছে। এই অনিয়মে জড়িতদের শাস্তির দাবিও জানিয়েছেন শিক্ষকরা।
১ম-১২তম চাকরি প্রত্যাশীরা বলছে, আওয়ামী ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের সাবেক শিক্ষা মন্ত্রী ডা. দিপু মনি ও ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান নওফেল গোটা শিক্ষা ব্যবস্থাকে শুধু ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দেয়নি, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, এনটিআরসিএ’র চেয়ারম্যান সহ সকল কর্মচারী একসাথে যোগসাজশে যে চরম নির্লজ্জ দূর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি করেছে।
চাকরি প্রত্যাশী একজন বলেন, জাল সনদের মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত ভুয়া শিক্ষকদের চাকরীচ্যুতসহ নিয়োগের সাথে জড়িত সংশ্লিষ্ট সকলের বিচার বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিসহ ১ম-১২তম ব্যাচে নিবন্ধিত বৈধ সনদধারীদের অবিলম্বে নিয়োগের সুনিশ্চিত ঘোষণা করতে হবে।
আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক শিক্ষক মো. মোস্তফা কামাল বলেন, গতকাল বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টার পক্ষে আমাদের সঙ্গে কথা বলেছেন উপদেষ্টার একান্ত সচিব। তিনি জানিয়েছেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে মৌখিক নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয় থেকে প্রস্তাব পাঠালে নির্বাহী আদেশ করে দেওয়া হবে।









