টেস্ট স্পেশালিস্ট তকমাটা তার গায়ে লেগেছে অনেক আগেই। সাদা বলের ক্রিকেটে উপেক্ষিত হয়ে মানিয়ে নিয়েছেন দীর্ঘ বিরতির পর ম্যাচ খেলার যুদ্ধে। বেশ কয়েকবছর ধরেই চলছে তার এ প্রক্রিয়া। চার মাস পর টেস্টে নেমে সেঞ্চুরি করে মুমিনুল বুঝিয়ে দিয়েছেন, চ্যালেঞ্জে জয়ী তিনিই।
২৬ ইনিংস পর আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে সেঞ্চুরি করেছেন মুমিনুল। আগে একবার ২৩ ইনিংস অপেক্ষা করতে হয়েছিল। মিরপুর টেস্টের তৃতীয় দিনের খেলা শেষে মুমিনুল জানালেন, এই অপেক্ষাটা তার কাছে ছিল বিভীষিকার।
শুধুমাত্র টেস্ট খেলার বাস্তবতা যে কঠিন সেটি নিয়ে মুখ খুলেছেন মুমিনুল। চ্যালেঞ্জের সঙ্গে শতভাগ মানিয়ে নেয়ার কথাও বললেন।
‘কতদিন পর ম্যাচ খেললাম সেটি কেউ বিবেচনায় রাখে না। নামের পাশে রানটাই দেখে। এটা নিয়ে আমার আক্ষেপ নেই। বরং ভালো। নিজেকে প্রস্তুত করার সময় পাই। সেটি হতে পারে প্রতিপক্ষের ভিডিও দেখা কিংবা মেডিটেশন করে নিজের লক্ষ্য সেট করা।’
‘আমি যে আগে রান একদমই করিনি এমন না। আপনাদের হয়ত প্রত্যাশা বেশি। সেজন্যই মনে হয় রান করিনি।’
দুবছর, ১৪ টেস্ট আর ২৬ ইনিংস পর মুমিনুল পেলেন ক্যারিয়ারের দ্বাদশ শতক। আফগানিস্তানের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে তৃতীয় দিনের চা-বিরতির পর আপার কাটে বাউন্ডারি মেরে শতকে পৌঁছান। ১২৩ বল মোকাবেলায় মারেন ১২টি চার। ১৪৫ বলে ১২টি চার ও এক ছয়ে ১২১ রানে অপরাজিত থাকেন।







