পাঁচ দল নিয়ে গড়ানোর কথা ছিল বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) দ্বাদশ আসর। নিলামের দিনকয়েক আগে আসর ছয়ে দলে উন্নীত করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ষষ্ঠ দল হিসেবে যুক্ত করা হয়েছে নোয়াখালী এক্সপ্রেসকে। বিতর্ক এড়াতে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর মালিকানা নিয়ে বিকল্প ভেবে রেখেছে বিপিএল গর্ভনিং কাউন্সিল। আর্থিক নিয়ম ও স্বচ্ছতা মেনে ফ্র্যাঞ্চাইজি দল পরিচালনায় ব্যর্থ হলে বিসিবি তা নিজেদের অধীনে নিয়ে নেবে।
বুধবার মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি জানিয়েছেন বিসিবি পরিচালক ও বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইফতেখার রহমান মিঠু। আগামী ১৯ ডিসেম্বর থেকে গড়াবে আসর, পর্দা নামবে ১৬ জানুয়ারি।
ইফতেখার রহমান মিঠু জানিয়েছেন, মালিকানা পেলেও ছয় ফ্র্যাঞ্চাইজির মধ্যে দুটি ব্যাংক গ্যারান্টির পুরো ১০ কোটি টাকা জমা দেয়নি। এখন পর্যন্ত চারটি দল তাদের হিসেব সম্পন্ন করেছেন। কেউ ক্যাশ টাকা দিয়েছেন, কেউ পে-অর্ডার দিয়েছেন আবার কেউ ব্যাংক গ্যারান্টির টাকাও দিয়েছেন। তবে দুইটি ফ্র্যাঞ্চাইজি এখনও সেটা পূরণ করতে পারেনি।
কয়েকটি ফ্র্যাঞ্চাইজি ব্যাংক গ্যারান্টির পরিবর্তে চেক দিয়েছে। চেক বাউন্স হওয়ার মত পরিস্থিতি হলে ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিকানা কেড়ে নিয়ে দল চালাবে বিসিবি। ইফতেখার রহমান জানান এমন।
বলেছেন, ‘খেলার আগে আমরা যদি ওই চেকের টাকাগুলো না পাই ক্রিকেট বোর্ড আমরা প্রস্তুত আছি, আমাদের দল প্রস্তুত আছে টেকওভার করার জন্য। আপনাকে মাঠে নামতে দিব না, আপনার দল নিয়েই আমরা মাঠে নামব।’
‘আমরা ফ্র্যাঞ্চাইজিকে আর্থিক বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছি। তারা এটা মেনে না চললে, সময় মতো অর্থ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে, সততার কোন ব্যত্যয় হলে বা অন্য কোন সমস্যা হলে ক্রিকেট বোর্ড টুর্নামেন্টের মাঝে বা যেকোন পর্যায়ে দলের দায়িত্ব বুঝে নেবে।’-যোগ করেন মিঠু।
এ নিয়ে বিপিএলে দল পাওয়া ছয় ফ্র্যাঞ্চাইজি হলো- চট্টগ্রাম রয়্যালস (ট্রায়াঙ্গল সার্ভিসেস), ঢাকা ক্যাপিটালস (চ্যাম্পিয়ন স্পোর্টস লিমিটেড), নোয়াখালি এক্সপ্রেস (দেশ ট্রাভেলস), রাজশাহী ওয়ারিয়র্স (নাবিল গ্রুপ), রংপুর রাইডার্স (টগি স্পোর্টস), সিলেট টাইটান্স (জিএম স্পোর্টস এন্ড এন্টারটেইনমেন্ট)।









