আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ জয়ের প্রায় এক বছর পর নিজ দেশের সমালোচকদের নিয়ে মুখ খুলেছেন লিওনেল মেসি। কীভাবে সমালোচকদের চুপ করিয়ে দেন, সেটিও জানিয়েছেন।
এলএম টেনকে অনেকেই বিশ্বকাপ জেতার আগে ইতিহাসের সর্বকালের সেরা হিসেবে বিবেচনা করতে শুরু করেছিলেন। পেলে এবং ম্যারাডোনার মতো কিংবদন্তিদের পাশেও অনেকে তাকে দাঁড় করাতেন। আর্জেন্টাইনদের কাছ থেকে এখন তিনি যে ভালোবাসা পান, সেটি ফুটবলের বিশ্বআসরে শিরোপা জেতার ফল।
যদিও বিশ্বকাপ জয়ের আগের বছরগুলোতে সমালোচনায় বিদ্ধ হয়েছেন ৩৬ বর্ষী ফুটবলার। খোলামেলাভাবেই সেই কষ্টের কথা সাক্ষাৎকারে নিজের মুখেই বলেছেন।
‘আমার খারাপ সময় ছিল। আমার পরিবার এবং আমাকে যারা ভালোবাসে, তারাও সমালোচনা করেছে। সমালোচকরা এ প্রজন্মের খেলোয়াড়দের প্রতি খুব অন্যায় আচরণ করেছিল। তারা আমার সম্পর্কে অনেক খারাপ কথা বলেছে। আজ ৯৫ কিংবা ১০০ শতাংশ আর্জেন্টাইন আমাকে ভালোবাসে এবং এটি সুন্দর এক অনুভূতি।’
ক্লাব ফুটবলে মেসির ক্যারিয়ার অর্জন আর রেকর্ডে ভরপুর। বার্সেলোনার জার্সিতে অনেকবার পেয়েছেন শিরোপার স্বাদ। আটবার হাতে তুলেছেন ব্যালন ডি’অর। জাতীয় দলের হয়ে কিছুতেই মিলছিল না শিরোপার দেখা। ২০২১ সালে কোপা আমেরিকা জিতে কেটেছিল সেই খরা। এরপর গত বছর কাতার বিশ্বকাপে দীর্ঘ ৩৬ বছরের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আলবিসেলেস্তেদের চ্যাম্পিয়ন বানানোর নায়ক হন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। সৃষ্টিকর্তার প্রতি তাই প্রকাশ করেছেন কৃতজ্ঞতা।
‘বার্সেলোনার সঙ্গে ক্লাব এবং ব্যক্তিগত পর্যায়ে সবকিছু অর্জন করায় আমি ভাগ্যবান। একমাত্র বিশ্বকাপটাই আমাকে এড়িয়ে যাচ্ছিল। খুব কম খেলোয়াড়ই আছেন, যারা বলতে পারেন যে, বিশ্বকাপ শিরোপা তাদের আছে। সবকিছু অর্জন করেছি। তাদের একজন হতে পারায় ঈশ্বরকে ধন্যবাদ।’
সাক্ষাৎকারে ইন্টার মিয়ামি ফরোয়ার্ড স্বীকার করেছেন যে, ইউরোপের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লিগগুলোর তুলনায় মেজর লিগ সকার অবস্থানগত ও মানের দিক থেকে নিচে রয়েছে। তবুও আসন্ন কোপা আমেরিকায় জাতীয় দলের হয়ে নিজেকে উজাড় করে দিতে চান আর্জেন্টাইন মহাতারকা।
‘মানগতভাবে দিক থেকে নিচে থাকা একটা লিগে খেলতে গিয়েছি, এ ব্যাপারে আমি সচেতন। আমি আগেও বেশ কয়েকবার এমনটা বলেছি। এটাই বাস্তবতা। যতক্ষণ আমি মনে করি ঠিকঠাক আছি অবদান রাখতে পারি, ততক্ষণ জাতীয় দলের প্রতিনিধিত্ব করবো। ’







