নাটক এবং ওটিটিতে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের পর ১৪ বছরের ক্যারিয়ারে প্রথম সিনেমা করলেন মেহজাবীন চৌধুরী। এ কারণে এই তারকার অগণিত অনুসারীরা মুখিয়ে আছেন তাকে বড়পর্দায় দেখতে। মাকসুদ হোসেনের পরিচালনায় ‘সাবা’ নামে সিনেমায় নাম ভূমিকায় অভিনয় করেন মেহজাবীন।
গেল বছর ফেব্রুয়ারিতে গল্পনির্ভর এ সিনেমাটির শুটিং সম্পন্ন হয়েছে। শোবিজ তারকাদের কাঙ্ক্ষিত মাধ্যম হচ্ছে বড়পর্দা। সেই বড়পর্দায় মেহজাবীন কী টিভি, ওটিটির মতো সফল হতে পারবেন?
উত্তরে মেহজাবীন বলেন, দর্শক যদি সিনেমা হলে যান তাহলে গল্পনির্ভর ছবিও সফল হবে। আমি কতটুকু সফল হবো সেই ভবিষ্যৎ এখন বলতে পারছি না। তবে যখন নাটক শুরু করেছিলাম সবার ভালোবাসা পাওয়া শুরু করেছিলাম। ওটিটি শুরু করলে সেখানেও সবার সাপোর্ট পেয়েছি। আশা করছি, যখন আমার প্রথম সিনেমা ‘সাবা’ রিলিজ হবে একইভাবে ভালোবাসা পাবো।
১৪ বছর লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতার চ্যাম্পিয়ন হয়ে শোবিজে পথচলা শুরু মেহজাবীনের। আজ তিনি ছোটপর্দার শীর্ষ অভিনেত্রী। গ্লামারসের পাশাপাশি নানান ধরনের চরিত্রে নিজেকে উপস্থাপন করে জনপ্রিয়তার শীর্ষে উঠে এসেছেন। গত মাসে তার ক্যারিয়ারে ১৪ বছরে পা পড়ে।
লম্বা সময়ে কোনো অপ্রাপ্তি নেই উল্লেখ করে মেহজাবীন বলেন, যতটুকু আমার প্রাপ্য তার চেয়ে বেশি পেয়েছি। কলিগ থেকে দর্শকরা সবাই আমাকে সাপোর্ট করেছেন। যেসব ডিরেক্টরদের সঙ্গে কাজের সুযোগ চেয়েছিলাম সেই সুযোগও পেয়েছি। শুরুতে আমি ভালো করে বাংলা বলতে ও লিখতে পারতাম না। সেই জায়গা থেকে আজকের এই অবস্থানে ইন্ডাস্ট্রি আমাকে যতটুকু যা দিয়েছে আমি সবসময় মনে করি চাওয়ার চেয়ে পাওয়া বেশি।
গেল ডিসেম্বরে মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজের নারী প্রধান গল্প অনন্যা-তে অভিনয় করে ভূয়সী প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন মেহজাবীন। এরপর ফেব্রুয়ারিতে ভালোবাসা দিবসে হাজির হন ভিকি জাহেদের পরিচালনায় ওয়েব সিরিজ ‘আরারাত’-এ। আগামীতে বেশ কিছু নতুন কাজ আসছে তার।
মেহজাবীন বলেন, এখনকার কাজগুলোর আলাদা আলাদা প্রমোশন স্ট্রাটেজি থাকে। কেউ জিজ্ঞেস করলে আগেকার দিনের মতো আর্টিস্টের আগে থেকে বলার সুযোগ থাকে না। প্রযোজকদের প্ল্যান থাকে। যখন তারা চান তখন কাজগুলো নিয়ে বলার সুযোগ আসে। তবে আমার বেশকিছু কাজ আসছে।







