ওয়ানডে সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার পর চ্যালেঞ্জ ছিল টি-টুয়েন্টি সিরিজে ভালো শুরু করা। প্রথম ম্যাচে সেটা করে দেখায় বাংলাদেশ। অফস্পিন-অলরাউন্ডার শেখ মেহেদী হাসান দুর্দান্ত পারফর্ম করেন। প্রথম ম্যাচে সেরার পুরস্কারের পর ধারাবাহিক ভালো বল করে সিরিজসেরার পুরস্কারও জিতে নিয়েছেন এ তারকা। ওয়েস্ট ইন্ডিজে রঙিন শেষের পর মেহেদীর আশা, আসছে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভালো করবে বাংলাদেশ।
সিরিজসেরার পুরস্কার নিয়ে মেহেদী বিশ্বকাপে খেলতে না পারার বিষয়েও বলেছেন, ‘বিশ্বকাপে আমাদের হাতে অনেক সুযোগ ছিল এবং কম্বিনেশনের একটা ব্যাপার ছিল। সে কারণে বিশ্বকাপে খেলতে পারিনি। কিন্তু তারপর আবারও ওয়েস্ট ইন্ডিজে আসলাম এবং গ্লোবাল টি-টুয়েন্টি খেলার দারুণ একটি অভিজ্ঞতা পর এমন একটি সিরিজ।’
‘হ্যাঁ, এই ধরনের উইকেটে বোলিং উপভোগ করেছি। কারণ বিশ্বকাপের সময় দেখেছি এ ধরনের উইকেট টার্নিং ছিল, স্কেচি এবং বল নিচু হয়ে আসতে। আমরা সিরিজের আগে উইকেটে বোলিং পরিকল্পনা করছিলাম। এই ধরনের উইকেটে সঠিকভাবে বল করে যাওয়াই মূল বিষয়।’
তিন ম্যাচে তিনবার নিকোলাস পুরানকে আউট করেছেন। মেহেদী বললেন, ‘পুরানকে ভালোভাবে জানি, কারণ আমি এবং পুরান বিপিএল ও অন্যান্য অনেক লিগে খেলেছি। জানি ডানহাতি অফ স্পিনারদের বিরুদ্ধে পুরানের কিছুটা অসুবিধা আছে। তাই এটি কার্যকর করার পরিকল্পনা ছিল এবং আমরা সফলতা পেয়েছি।’
‘হ্যাঁ, সবাই ভালো করেছে। আমাদের টি-টুয়েন্টি এবং টেস্ট সিরিজ খুব ভালো ছিল। কিন্তু ওয়ানডেতে আমরা ভালো খেলতে পারিনি। কিন্তু টি-টুয়েন্টি সিরিজের জন্য সবাই আগ্রাসী ছিল। এই সিরিজে আমার সতীর্থদের শারীরিক ভাষা দেখেছেন। আশা করি, আমাদের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ভালো হবে।’
তিন ম্যাচে ৮ উইকেট এবং ৩৭ রান করে সিরিজসেরার পুরস্কার জিতেছেন শেখ মেহেদী হাসান। প্রথম ম্যাচে অপরাজিত ২৬ এবং বল হাতে ১৩ রানে ৪ উইকেট নিয়ে সেরা হয়েছিলেন।









