কিংবদন্তি ডিয়েগো আরমান্ড ম্যারাডোনার মৃত্যু স্বাভাবিক নাকি অবহেলায় তা নিয়ে তর্ক রয়েছে। চলছে মামলাও। যা নিয়ে কিংবদন্তির আইনজীবী মন্তব্য করেছেন। জানিয়েছেন, ম্যারাডোনাকে মেরে ফেলা হয়েছিল এবং তার সাথে পশুর মতো আচরণ করা হয়েছিল।
আদালতে আইনজীবী বলেছেন, ‘ডিয়েগো ম্যারাডোনার সাথে পশুর মতো আচরণ করা হয়েছিল। কোর্টে দেয়া তথ্য সেটাই প্রমাণ করে। কোনো সন্দেহ নেই তাকে মেরে ফেলা হয়েছিল এবং আমি সেটাই বিশ্বাস করি।’
‘আমরা অবহেলার সেই পর্যায় ইতিমধ্যে পার করে এসেছি। এখন আমরা সেটা আদালতের মাধ্যমে প্রমাণ করার চেষ্টা করছি। তারা কি ম্যারাডোনাকে মরে যেতে দিয়েছিল বা তারা কি মেরে ফেলেছিল?’
ম্যারাডোনার আইনজীবী ফের্নান্দো বুরল্যান্ডোর মতে, ‘ডিয়েগোর মানসিক স্বাস্থ্যের দায়িত্বে থাকা আটজন ব্যক্তিকে ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে। যখন কেউ সবচেয়ে খারাপ ঘটনার মুখোমুখি হয়, এক্ষেত্রে মৃত্যু হতে পারে এবং তারা এমনভাবে কাজ চালিয়ে যায় যেন কিছুই হয়নি। তখন এটি হত্যা বলা হয়।’
এ আইনজীবী আরও বলেছেন, এটা প্রমাণিত যে তারা কিছু করেছিল। এমন কোনো বার্তা কোথাও ছিল যে ‘এল গর্ডো চলে যাচ্ছে, এল গর্ডো মারা যাচ্ছেন।’
‘এখানে ডিয়েগোর অনুপস্থিতি তৃতীয় পক্ষের জন্য সুবিধা বয়ে আনে যারা উত্তরাধিকারী নন। তারা এমন ব্যক্তি যারা অদ্ভুতভাবে স্বাক্ষরিত কিছু চুক্তির মাধ্যমে তার মৃত্যুর পরেও সুবিধা পেয়েছিলেন এবং এমনকি বেঁচে থাকার সময়ও পেয়েছিলেন।’
সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার ম্যারাডোনা মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের সপ্তাহ দুয়েক পর ২০২০ সালের ২৫ নভেম্বর মারা যান। বুয়েন্স আয়ার্সের অভিজাত এলাকায় ভাড়া করা বাড়িতে জীবনের শেষ দিনগুলো কেটেছে তার। অভিযোগ প্রমাণিত হলে দোষী ব্যক্তিদের ৮ থেকে ২৫ বছরের জেল হতে পারে। মামলায় প্রায় ১২০ জনের সাক্ষ্যদানের কথা রয়েছে, যা চলতে পারে আগামী জুলাই পর্যন্ত।









