ভারতের নিরাপত্তা বাহিনীর ‘অবাঞ্ছিত কাজের’ জন্য নিন্দা জানিয়েছে মণিপুর রাজ্যের মন্ত্রিসভা। রাজ্যের বেসামরিক নাগরিকদের উপর কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অন্তত তিনজন নিহত হয়েছেন। এছাড়াও এই ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছেন আরও ৫০ জন।
রোববার ১০ সেপ্টেম্বর ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়। এতে বলা হয়, শনিবার মণিপুর রাজ্যের মন্ত্রিসভা থেকে এই ঘটনার নিন্দা জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, শুক্রবার কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীর একটি দল মণিপুরের বেসামরিক নাগরিকদের উপর গুলিবর্ষণ করে। এতে তিনজন নিহতসহ বহু হতাহতের ঘটনা ঘটে।
মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংয়ের সভাপতিত্বে শনিবার সন্ধ্যায় মণিপুর রাজ্যের মন্ত্রিসভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সংঘর্ষে-বিধ্বস্ত উত্তর-পূর্ব রাজ্যের সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সিদ্ধান্তগুলোর মধ্যে রয়েছে, জাতিগত সহিংসতার সময় বাস্তুচ্যুত লোকদের জন্য একটি স্থায়ী আবাসন প্রকল্প অনুমোদন। সহিংসতা-আক্রান্ত মানুষদের আদি বাসস্থানে ফিরে যাওয়ার জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করা। প্রথম পর্যায়ে, প্রায় ৯৯ কোটি টাকা ব্যয়ে এক হাজার স্থায়ী এবং অস্থায়ী বাড়ি তৈরি করা হবে। স্থায়ী বাড়ির জন্য ১৪ লাখ, আর আধা-স্থায়ী বাড়ির জন্য ১০ লাখ এবং অস্থায়ী বাড়ির জন্য ৭ লাখ টাকা খরচ করার সিদ্ধান্ত দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
মণিপুর সহিংসতায় প্রায় চার হাজার ৮০০ ঘর পুড়ে গেছে বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে মন্ত্রিসভা থেকে জানানো হয়। মণিপুর সরকার জানিয়েছে, ১৭০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। এছাড়াও ৭০০ জনেরও বেশি সাধারণ মানুষ আহত হয়েছেন এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ৭০ হাজার জনেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে এই সহিংসতায়।






