ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে ঘরের মাঠ ইতিহাদে বহুদিন পর দেখা গেছে পুরনো ম্যানচেস্টার সিটিকে। প্রথমার্ধের ১৯-৩৩ মিনিটে মারমোউস ঝড়ে উড়ে গেছে টেবিলের ছয়ে থাকা নিউক্যাসল ইউনাইটেড। ২৩ জানুয়ারি সিটিজেনদের দলে যোগ দেয়া মিশরীয় ফরোয়ার্ড মাস পেরোনোর আগেই ইপিএলে প্রথম হ্যাটট্রিকের দেখা পেয়েছেন। ৪-০ গোলের জয় তুলেছে ম্যানসিটি।
ইতিহাদে প্রথম মিনিট থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল সিটিজেনরা। প্রথম সাফল্য আসে ১৯ মিনিটে, ডি বক্সের মধ্যে থেকে লং পাসে বল বাড়ান গোলরক্ষক এডেরসন মার্কেজ, মাঝমাঠের একটু পরে বল পান ফরোয়ার্ড মারমোউস। নিউক্যাসল ইউনাইটেডের ডি বক্সের বাইরে থেকে বল গোলকিপারের মাথার উপর দিয়ে তুলে দেন এ ফরোয়ার্ড, ১-০ গোলে এগিয়ে যায় ম্যানসিটি।
পাঁচ মিনিট পর আবারও মারমোউসের গোল। এবার গোলে অ্যাসিস্ট করেন জার্মান মিডফিল্ডার ইলকাই গুন্ডোয়ান। ডি বক্সের আগে বাড়ানো বল পান এ ফরোয়ার্ড, জোরাল শটে গোলকিপারের ডানপাশ দিয়ে বল জড়ান জালে। নিউক্যাসল খেলোয়াড়দের চেয়ে দেখা ছাড়া কিছুই করার ছিল না। পাঁচ মিনিটের মধ্যে ২-০ গোলে এড়িয়ে যায় সিটি।
মাত্র দ্বিতীয় ম্যাচে মাঠে নেমে ৩৩ মিনিটে ইপিএল ক্যারিয়ারের প্রথম হ্যাটট্রিকের দেখা পান মারমোউস। ডানপাশ দিয়ে নিউক্যাসল ইউনাইটেডের ডি বক্সে ঢুকে পড়া উইঙ্গার স্যাভিনহো বক্সের মধ্যে বল বাড়ান, সেটা পেয়ে দুর্দান্ত শটে গোল করে ক্যারিয়ারের প্রথম হ্যাটট্রিক করেন ২৬ বর্ষী তারকা। প্রথমার্ধে ৩-০তে এগিয়ে বিরতিতে যায় সিটি।
বিরতি থেকে ফিরে দারুণ আক্রমণাত্মক দেখা যায় নিউক্যাসল ইউনাইটেডকে। তবে ফর্মে ফেরার ইঙ্গিত দেয়া সিটির রক্ষণ ভাঙতে পারেনি কোনভাবেই। উল্টো বেশকিছু আক্রমণ থেকে দলকে রক্ষা করেন নিউক্যাসল গোলরক্ষক। ৭৬ মিনিটে হ্যাটট্রিকম্যান মারমোউসকে তুলে নেয়া হয় মাঠ থেকে।
৮৪ মিনিটে নিউক্যাসলের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠোকেন জেমস মাকিতি। গুন্ডোয়ানের নেয়া কর্নার থেকে ডি বক্সের মধ্যে পাওয়া বল জালে জড়িয়ে ইপিএলে প্রথম গোলের দেখা পান এ ইংলিশম্যান। ইতিহাদে ৪-০ গোলের জয়ে টেবিলের চারে উঠে এসেছে পেপ গার্দিওলার শিষ্যরা।









