ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে ১১৫টি আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে শুনানি শেষ হয়েছে। অপেক্ষা রায়ের। আগামী জানুয়ারিতে রায় দেয়ার কথা ভাবছেন তিন সদস্যের বিচারক প্যানেল। তার আগে প্রমাণ বিবেচনা করছেন তারা।
লন্ডনে গত ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয় ম্যানসিটির বিপক্ষে অভিযোগের শুনানি। ১২ সপ্তাহ চলা শুনানি কার্যক্রম শেষ হয় গত শুক্রবার। রায় যাই-ই আসুক, আপিল করার সুযোগ থাকবে বাদি প্রিমিয়ার লিগ এবং অভিযুক্ত ম্যানসিটি কর্তৃপক্ষের। চূড়ান্ত রায় আসতে অপেক্ষা করতে হতে পারে চলতি মৌসুমের শেষ পর্যন্ত।
২০০৯ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত নয় মৌসুম সময়কালে অনিয়মগুলো সংঘটিত হয়েছিল বলে অভিযোগ তুলেছে প্রিমিয়ার লিগ। চার বছর তদন্তের পর ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে সিটির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ একটি স্বাধীন কমিশনের কাছে পাঠানো হয়।
অভিযোগে রয়েছে, ২০০৯-১০ মৌসুমে সঠিক আর্থিক তথ্য দেয়ার নিয়ম ভেঙেছে সিটি। ২০১৩-১৪ থেকে ২০১৭-১৮ মৌসুম পর্যন্ত উয়েফার ফিন্যান্সিয়াল ফেয়ার প্লের নিয়ম মানেনি। ২০১৫-১৬ থেকে ২০১৭-১৮ মৌসুম পর্যন্ত প্রিমিয়ার লিগের মুনাফা ও স্থায়িত্বের (পিএসআর) নিয়ম অনুসরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে ক্লাবটি।
অবশ্য প্রিমিয়ার লিগের আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছে সিটি কর্তৃপক্ষ। কমিশনের কাছে জবাবদিহিতার সময় বলেছে, ‘ক্লাব একটি স্বাধীন কমিশনের মাধ্যমে এই বিষয়টির পর্যালোচনাকে স্বাগত জানায়।’
দোষী সাব্যস্ত হলে পয়েন্ট কাটা যাবে, এমনকি লিগ থেকে অবনমনের মতো শাস্তির মুখেও পড়তে হতে পারে ম্যানচেস্টার সিটিকে। পিএসআর আইন ভাঙার দায়ে গত মৌসুমে পয়েন্ট কাটা গিয়েছিল এভারটন ও নটিংহ্যাম ফরেস্টের।








