বহুতল ভবন থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলিউড অভিনেত্রী ও মডেল মালাইকা অরোরার বাবা অনিল অরোরা। বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা নাগাদ মুম্বাইয়ের বান্দ্রা এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। কিন্তু সত্যি কি এটা আত্মহত্যা নাকি দুর্ঘটনা সে নিয়েই চলছে এখন নানান তর্ক-বিতর্ক।
জানা গেছে, ঘটনার সময় বাড়িতেই ছিলেন মালাইকার মা জয়েস পলিকার্প। বহুবছর আগে অনিল ও জয়েস-এর বিবাহবিচ্ছেদ হলেও বর্তমানে তারা একসঙ্গেই থাকতেন।
প্রাক্তন স্বামীর মৃত্যু প্রসঙ্গে পুলিশকে দেওয়া এক বিবৃতিতে মালাইকার মা জয়েস পলিকার্পে জানান, তার প্রাক্তন স্বামী অনিল প্রতিদিন সকালে বারান্দায় বসে সংবাদপত্র পড়তেন। তিনি আরও জানান যে বুধবার সকালেও তিনি বারান্দাতেই সংবাদপত্র পড়ছিলেন। কিন্তু জয়েস বসার ঘরে অনিলের স্যান্ডেল দেখতে পান। তখন তিনি তাকে বারান্দায় খুঁজতে যান, কিন্তু তাকে পাননি। এরপরই তিনি বারান্দা থেকে নিচে ঝুঁকে দেখেন বিল্ডিং প্রহরী সাহায্যের জন্য চিৎকার করছিল। জয়েস পলিকার্পে আরো জানান, অনিল অরোরার তেমন কোন অসুস্থতা ছিল না। তিনি শুধু মাত্র হাঁটু ব্যথায় ভুগছিলেন।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পর অনিল অরোরার দেহ উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও সেখানে পৌঁছানোর আগেই তার মৃত্যু হয়েছিল। সূত্রের খবর, ‘এটা সত্যি যে আজ সকালে মালাইকার বাবা মারা গিয়েছেন। তবে তিনি আত্মহত্যা করেননি, এটা একটি দুর্ঘটনা। কারণ এই ঘটনায় সকলেই হতবাক। তবে ময়নাতদন্তের পরই পুরো বিষয়টি জানা যাবে বলে জানানো হয়েছে।
জানা গেছে, বাবার মৃত্যুর সময় মালাইকা বাড়িতে ছিলেন না। তিনি পুনেতে ছিলেন। ঘটনাটি জানার পরেই তিনি মুম্বাই ফিরে আসেন বলে জানা গেছে। এছাড়াও কাঁদতে কাঁদতে ঘটনাস্থলে পৌঁছতে দেখা যায় অমৃতা অরোরা ও তার স্বামী শাকিল লাদাককে। তবে বাবার মৃত্যুর প্রসঙ্গে তাদের কেউই মুখ খোলেননি।
এদিকে মালাইকার এই দুঃসময়ে তার পাশে দাড়িয়েছেন প্রাক্তন স্বামী আরবাজ খান ও তার পুরো পরিবার। ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশকর্মীদের সঙ্গে কথা বলতেও দেখা যায় আরবাজকে। পাশাপাশি তার বাবা সেলিম খান ও মা সালমা খানকেও দেখা যায় সেখানে। দাদুর মৃত্যুর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান মালাইকা-আরবাজের ছেলে আরহান খানও। শুধু তাই নয়, ঘটনাস্থলে হাজির হয়েছেন মালাইকার প্রাক্তন প্রেমিক অর্জুন কাপুরও। – নিউজ এইট্টিন









