দীর্ঘ দেড় মাস ভোট গ্রহণের পর গত ১ জুন শেষ হয়েছে ভারতের লোকসভা নির্বাচন। যেখানে নির্বাচনে বিজয় দাবি করে ভাষণে এই বিজয়কে ভারতীয়দের বিজয় হিসেবে বর্ণনা করেছেন বিজেপি শীর্ষ নেতা ও ভারতের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। জানিয়েছেন, খুব শিগগিরই তারা টানা তৃতীয় বারের মতো সরকার গঠন করবেন তিনি।
লোকসভা নির্বাচন বিষয়ে ম্যাগসেসে বিজয়ী সাংবাদিক রবীশ কুমারের সাথে কথা হলে তিনি চ্যানেল আইকে বলেন, এই নির্বাচনের শুরু থেকেই নরেন্দ্র মোদির ম্যজিক গায়েব হয়ে গিয়েছিল। গোটা নির্বাচন জুড়ে নরেন্দ্র মোদি নিজেকে স্টার ক্যম্পেইনার হিসেবে রেখেছিলেন। কিন্তু অনেক সভা-সমিতি করার পরও বিজেপি ২৭২ আসন পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে নাই। বেনারসে নরেন্দ্র মোদির বিজয়ী হওয়ার হারও অনেক কমে গেছে। যেখানে গতবার তিনি পৌনে ৫ লাখ ভোটে জয়ী হয়েছিলেন, সেখানে এবার মাত্র দেড় লাখ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন।
তিনি বলেন, যদি বেনারসে নরেন্দ্র মোদির ভোটার মার্জিন কম হতে পারে, তার মানে এবার নির্বাচনে নরেন্দ্র মোদির ম্যজিকাল নির্বাচন ছিলোই না। নির্বাচনের শুরু থেকেই মোদির কোন উদ্যোগ কাজ করে নাই। যেখানে বিপক্ষের দলগুলো রাজনৈতিক মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে ছিলো, সেখানে নরেন্দ্র মোদি নিজের এজেন্ডা সেট করতে পারে না। কখনও উনি মিথ্যা বলেছেন তো আবার কখনও ভিত্তিহীন কথা বলেছেন।
রবীশ কুমার বলেন, নরেন্দ্র মোদি এবার প্রথমবারের মতো জোটের সরকার চালাবেন। এখন বাধ্য হয়ে তিনি গুজরাট এবং দিল্লিতেও নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকারে নেতৃত্ব করছেন। তবে গত দুইবার নির্বাচনে নরেন্দ্র মোদিরত সাথে যারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন তাদের অভিজ্ঞতা খুব একটা ভালো ছিল না।
ইউনিয়ন পরিষদগুলো এবার নরেন্দ্র মোদির জন্য ক্ষতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। অজোধা এবং তার আশে পাশের আসন হেরে গেছে। ইউনিয়ন পরিষদে বিজেপি আশা করেছিল রাম মন্দিরের জন্য অন্তত ৮০টি আসন পাবে, কিন্তু নির্বাচনে মাত্র ৪০টি আসনে তারা বিজয়ী হয়। যে ইউনিয়ন পরিষদগুলো এর আগে নরেন্দ্র মোদিকে অনেক উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিল সেই ইউনিয়ন পরিষদগুলো এবার তাকে নিচে নামিয়ে এনেছে।









