কানাডায় বাংলাদেশীদের অন্যতম প্রধান আবৃত্তি সংগঠন বাচনিক, এই বছর ১০ বছর পূর্ণ করবে । অনেক চড়াই , উৎরাই পার করে বাচনিক এই পর্যায়ে পৌঁছেছে । বিদেশের মাটিতে কবিতা নিয়ে কাজ করা অনেক কঠিন এক ব্যাপার।
তারপরেও কঠিন জীবনযাত্রার ফাঁকে একখণ্ড আকাশ আমরা খুঁজে নেই এই সংগঠনে কবিতার সাথে নিবিড় সখ্যতা গড়ে ও আবৃত্তি চর্চা করে। আগামী ১১ নভেম্বর বাচনিক উৎযাপন করছে তাঁদের দ্শম পূর্তি অনুষ্ঠান।
বাচনিক প্রতি বছর বিশেষ করে কবিতা ও আবৃত্তি শিল্পে অনবদ্য ভূমিকার জন্য, একজন গুণী ব্যক্তিত্বকে সম্মাননা প্রদান করে আসছে। আমরা অত্যন্ত আনন্দের সাথে জানাচ্ছি, কবি আসাদ চৌধুরী, হাসান মাহমুদ, দেলওয়ার এলাহী, রাশেদা মুনীর, রূমানা চৌধুরী এর মতো আলোকিত ব্যক্তিত্বদের সমন্বয়ে গঠিত বাচনিক উপদেষ্টা পরিষদ ও বাচনিক পরিবারের সকল গুণী আবৃত্তিশিল্পীরা মিলে ‘বাচনিক সম্মাননা-২০২৩’ এর জন্য সমকালীন বাংলা সাহিত্যের বিশিষ্ট ছড়াকার লুৎফর রহমান রিটনকে মনোনীত করেছেন ।
রিটন সত্তরের দশকে ছড়াকার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন দাদাভাইয়ের হাত ধরে ১৯৭২ সালে, ইত্তেফাকের ছোটদের পাতা কচি-কাঁচার আসরের মাধ্যমে। যার শিশুতোষ ছড়া ও কবিতা বিংশ শতকের শেষভাগে জনপ্রিয়তা লাভ করে।
ছড়া শিল্পের বিকাশে তাঁর ধারাবাহিক অসাধারণ ভূমিকার জন্য তাঁকে নির্বাচন করা হয়েছে। কবিতার সাথে তাঁর দীর্ঘ দিনের বসবাস। আমরা আনন্দিত, লুৎফর রহমান রিটন বাচনিক-এর এই সম্মাননা ২০২৩ গ্রহণে সানন্দ স্বীকৃতি জানিয়ে বাচনিক-কে সম্মানিত করেছেন।
উল্লেখ্য, আগামী ১১ নভেম্বর ২০২৩ বাচনিকের ১০ম বাৎসরিক অনুষ্ঠানে এই সম্মাননা প্রদান করা হবে। প্রিয় লেখক ও ছড়াকার লুৎফর রহমান রিটনের -এর প্রতি বাচনিক-এর আন্তরিক অভিবাদন ।








