নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে নিজের কাজটা ঠিকঠাক করেছিলেন সাকিব আল হাসান। প্রতিপক্ষের এক ব্যাটারকে পাঠান সাজঘরে। দারুণ খেলতে থাকা লিটন দাস ইনিংস বড় করতে পারেননি। সাকিব ব্যাট হাতে হন ব্যর্থ। বি-লাভ ক্যান্ডির কাছে ৩৪ রানে হেরে ফাইনালের আগেই বিদায় নিয়েছে গল টাইটান্স।
শনিবার কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে হওয়া দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার ম্যাচে টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নামা বি-লাভ ক্যান্ডি স্কোরবোর্ডে তোলে ৭ উইকেটে ১৫৭ রান। জবাবে গল টাইটান্স ৮ উইকেটে ১২৩ রানেই থেমে যায়।
পাঁচ ওভারের আগেই ২০ রানে ৩ উইকেট খুইয়ে বিপদে পড়ে ক্যান্ডি। মোহাম্মাদ হারিস ও থানুকা দাবেরাকে সাজঘরে ফেরান লাহিরু কুমারা। এরপর সাহান আরচ্চিগেকে স্পিন ভেল্কিতে পরাস্ত করে স্টাম্পিংয়ের ফাঁদে ফেলেন সাকিব।
চতুর্থ উইকেটে দীনেশ চান্দিমাল ও ভানিডু হাসারাঙ্গা ৭২ রানের জুটি গড়ে ক্যান্ডির ঘুরে দাঁড়াতে রাখেন ভূমিকা। ৩০ বলে ৩ চার ও ৪ ছক্কায় ৪৮ রান করা হাসারাঙ্গা ড্রেসিং রুমে ফিরলে ভাঙে জুটি। খানিক পর ৩৭ বলে ৩ চার ও এক ছক্কায় ৩৮ রান করা চান্দিমাল আউট হন।
এরপর অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজের ১৭ বলে ২৪ এবং চতুরঙ্গ ডি সিলভার ৬ বলে এক চার ও এক ছক্কায় অপরাজিত ১৫ রানের ইনিংসে ভর করে লড়াকু পুঁজি পায় ক্যান্ডি।
সাকিব বল হাতে ৪ ওভারে ২৪ রান খরচায় পান এক উইকেট। দুটি করে উইকেট নেন লাহিরু ও সোনাল দিনুশা।
১৫৮ রানের লক্ষ্য তাড়ায় শুরুতে দেখেশুনে খেললেও পরে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করতে থাকেন লিটন। আফগান স্পিনার মুজিব উর রহমানের করা দ্বিতীয় ওভারের শেষ তিন বলে টানা বাউন্ডারি হাঁকান টাইগার ক্রিকেটার।
এরপর আকস্মিক ব্যাটিং ধস। বিনা উইকেটে ৩৮ থেকে স্কোর হয়ে যায় ৩ উইকেটে ৪৫ রান। লিটনের আউট দিয়ে হয় যার সূচনা।
চতুরঙ্গর বলে অহেতুক স্টাম্প ছেড়ে সুইপ শট খেলতে গেলে বল মিডল স্টাম্পে আঘাত হানে। উইকেটরক্ষক ব্যাটার ১৯ বলে ৪টি চারে করেন ২৫ রান। এরপর দ্রুত সাজঘরে ফেরেন লাসিথ ক্রুসপুলে এবং সোহান ডি লিভেরা।
সাকিব ও দিনুশা চতুর্থ উইকেটে যোগ করেন ২৮ রান। দশম ওভারের শেষ বলে ক্যাচ দিয়ে জীবন পেলেও ইনিংস বড় করতে ব্যর্থ সাকিব। বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক ১৫ বলে ২ চারে ১৭ রান করেন। স্লগ সুইপ করতে গিয়ে ডিপ মিডউইকেটে মোহাম্মাদ হারিসের তালুবন্দি হন। বাকি ব্যাটাররা সুবিধা করতে না পারায় ৮ উইকেটে ১২৩ রানেই থেমে যায় গলের ইনিংস।
হাসারাঙ্গা, চতুরঙ্গ ও মোহাম্মাদ হাসনাইন ক্যান্ডির পক্ষে দুটি করে উইকেট পকেটে পুরেন।







