মিশর এবং গাজার রাফাহ সীমান্তে ত্রাণবাহী লরির দীর্ঘ সারি ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করছে। গাজায় প্রবেশের অপেক্ষা দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে বলে জানা গেছে।
রোববার ১৫ অক্টোবর বিবিসি ইসরায়েল-হামাস সংঘাতের প্রতিবেদনে জানায়, রাফাহ ক্রসিং দিয়ে গাজায় প্রবেশের জন্য ত্রাণবাহী লরির দীর্ঘ সারির কয়েকটি ছবি প্রকাশ হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গাজায় বসবাসরত ফিলিস্তিনিদের জন্য মিশর এবং তুরস্ক থেকে পাঠানো ত্রাণবাহী গাড়িগুলো আরিশ শহরে অপেক্ষা করছে। সীমান্ত বন্ধ থাকায় ভেতরে প্রবেশ করতে পারছে ত্রাণের এসব গাড়ি।
গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের বিমান হামলার কারণে রাফাহ সীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছে মিশর। এতে বড় ধরণের ক্ষতি হচ্ছে ফিলিস্তিনিদের। মিশর নিজেদের নিরাপত্তার কারণে এই সীমান্ত বন্ধ করেছে বলে জানানো হয়।
অন্যদিকে সীমান্তে আটকে থাকা ত্রাণের গাড়িবহর ভেতরে প্রবেশ করার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে সাহায্যকারী সংস্থাগুলোর কর্তৃপক্ষ।

হামাস, ইসরায়েল এবং মিশর সবাই সীমান্তে নজরদারী বাড়িয়েছে। যার কারণে প্রায় সময় বন্ধ থাকছে সীমান্তের চেকপয়েন্টগুলো।
অন্যদিকে যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্রসহ বেশ কয়েকটি দেশ গাজায় অবস্থানরত তাদের নাগরিকদের রাফাহ ক্রসিং এর কাছাকাছি অবস্থান করার জন্য অনুরোধ করছে। যাতে সীমান্ত পুনরায় চালু হলে তারা গাজা থেকে বের হতে পারে। কারণ, তারা ধারণা করছে, পুনরায় সীমান্ত খোলা হলেও তা স্থায়ী হবে না, সীমিত সময়ের মধ্যে নাগরিকদের বের হয়ে যেতে এমন সতর্কবার্তা।
শনিবার মার্কিন কর্মকর্তারা বলেন, তারা শত শত ফিলিস্তিনি-আমেরিকানকে রাফাহ হয়ে চলে যাওয়ার জন্য কাজ চলছে। যদিও তারা সফল হয়েছে কি-না তা স্পষ্ট নয়।








