লন্ডনের সাউথেন্ডে বিমান দুর্ঘটনায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ড ঘটায় পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বিমানবন্দর বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
সোমবার (১৪ জুলাই) সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।
রবিবার (১৩ জুলাই) গ্রীসের রাজধানী অ্যাথেন্স থেকে ক্রোয়েশিয়ার পুলায় উড়ে সাউথেন্ডে যাওয়ার আগে সন্ধ্যায় বিমানটি লেলিস্টাড বিমানবন্দরে ফিরে আসার পরিকল্পনা ছিল। এর আগেই সাউথেন্ড বিমানবন্দরে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়ে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড ঘটে। এরপর সাউথেন্ড বিমানবন্দর বন্ধ ঘোষণা করা হয় এবং নির্ধারিত সব ফ্লাইট বাতিল করা হয়। যার ভেতর কমপক্ষে পাঁচটি ফ্লাইট ছিল আন্তর্জাতিক।
এসেক্সের বিলেরিকে থেকে জন জনসন (৪০), তার স্ত্রী ও সন্তানদের সাথে বিমান দেখছিলেন। বিমানটি মাটিতে প্রথমে মাথা ঠেকিয়ে বিধ্বস্ত হওয়ার পর তিনি একটি বিশাল আগুনের গোলা দেখতে পান। তিনি তাৎক্ষনিকভাবে ঘটনাটি জানাতে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করেছিলেন।
এ বিষয়ে এসেক্স পুলিশ জানিয়েছে, রবিবার বিকাল চারটার আগেই সাউথেন্ড-অন-সি-তে ১২ মিটার উঁচু একটি বিমানে আগুন লেগেছে। এতে হতাহতের ব্যাপারে সঠিক তথ্য এখনও জানা যায়নি। বিমান দুর্ঘটনায় তদন্ত শাখার সাথে কাজ করছে বলেও জানায় পুলিশ।
সাউথেন্ড বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা যেকোনো ঘটনা সম্পর্কে জনসাধারণকে আপডেট জানাবে এবং সোমবার ভ্রমণকারী যাত্রীদের তাদের বিমান সংস্থার সাথে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।
ডাচ কোম্পানি জিউসচ এভিয়েশন নিশ্চিত করেছে যে, তাদের এসইউজেড-১ ফ্লাইট লন্ডন সাউথেন্ড বিমানবন্দরে দুর্ঘটনায় পতিত হয়।
নেদারল্যান্ডসের লেলিস্টাড বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা সক্রিয়ভাবে তদন্তে সহায়তা করছে এবং যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের প্রত্যেকের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করছে।
সাউথএন্ড বিমানবন্দরে দুর্ঘটনায় আক্রান্ত সকলের প্রতি পরিবহন সচিব হাইডি আলেকজান্ডার সমবেদনা জানিয়ে বলেন, এ বিষয়ে তিনি নিয়মিত আপডেট রাখছেন।









