গত আসরে নিজেদের ২০তম প্রিমিয়ার লিগ টাইটেল জিতে নতুন মৌসুমে দুর্দান্ত শুরু করেছিল লিভারপুল। অলরেডরা টানা সাত জয়ে শুরু করে পথ হারিয়েছে। ইংলিশদের অন্যতম সফল ক্লাবটির ডেরায় নেমেছে আঁধার। ১৯৫৩-৫৪ মৌসুমের পর এই প্রথম ১২ ম্যাচের ৯টিতে হেরে গেছে তারা। ঘরের মাঠ অ্যানফিল্ডেও নতজানু হতে পড়েছে দলটি।
অ্যানফিল্ডে বুধবার রাতে ডাচ ক্লাব পিএসভির কাছে সালাহরা ৪-১ ব্যবধানের হার নিয়ে মাঠ ছেড়েছেন চ্যাম্পিয়ন্স লিগে। ১৯৫৩ সালের ডিসেম্বরের পর এই প্রথম টানা তিন ম্যাচে তিন বা অধিক গোল হজম কররেছে লিভারপুল।
নটিংহ্যাম ফরেস্ট সবশেষ প্রিমিয়ার লিগ ম্যাচে অলরেডদের বিপক্ষে ৩-০তে জয় তুলেছে অ্যানফিল্ডে এসে। ঘরের মাঠে টানা দুই ম্যাচে পাঁচদিনের ব্যবধানে ৭ গোল হজম করেছে লিভারপুল। লিগের বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা প্রিমিয়ারে টানা ৬ ম্যাচে হারের স্বাদ পেয়েছে। ক্রিস্টাল প্যালেসের মাঠে সবশেষ জয় তুলেছিল লিভারপুল, সেটি যেন অনেক আগের স্মৃতি হয়ে পড়ছে!
লিভারপুলের ইংলিশ মিডফিল্ডার কার্তিস জোনস বলছেন, ‘বাজে সময়ের উত্তর নেই আমার কাছে। সত্যিই নেই। কিন্তু এমনকিছু গ্রহণ করা যায় না। ভেতর ভেতর খুব রাগান্বিত পিএসভির বিপক্ষে হারের পর, ভাষাই হারিয়ে ফেলেছি।’
দলটির ডাচ কোচ আর্নে স্লট দায়িত্ব নেয়ার প্রথম মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ব্যর্থ হলেও প্রিমিয়ার লিগ এনে দিয়েছেন। চলতি মৌসুমে তার অধীনে ২০ ম্যাচে ১০ জয় এসেছে। ড্র হয়নি একটি ম্যাচও। তবে দারুণ শুরু করা সেই লিভারপুল প্রিমিয়ার লিগে ১২তে আছে। ১২ ম্যাচে ৬ জয় ও ৬ পরাজয়ে ১৮ পয়েন্ট।
পিএসভির বিপক্ষে পয়েন্ট হারানোয় পাঁচ ম্যাচে তিন জয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ১৩তমতে স্লটের লিভারপুল। কোচ বলছেন, ‘লিভারপুলের ধারাবাহিক এমন পারফরম্যান্স সবাইকে হতাশ করেছে। ফুটবলাররা এমনকি আমি, খুব সহজে হতাশাগ্রস্ত হই না। আমরা সবাই এককভাবে উন্নতি করতে পারবো। আমিসহ সবার উপর দিয়েই এমন পরিস্থিতি যাবে।’
৪৭ বর্ষী কোচ আরও বলেছেন, ‘আমার আসল লক্ষ্য হচ্ছে দল ও নিজের উন্নতির দিকটি বিবেচনা করা। সেভাবেই কাজ করা।’









