পাকিস্তানি নারী সীমা হায়দারকে দেশে ফেরত না পাঠালে মুম্বাইয়ে ঘটে যাওয়া ২৬ নভেম্বর ২০০৮ এর মত ভারতে আবারও সন্ত্রাসী হামলার হুমকি দিয়েছে একটি অজ্ঞাত ফোনকলের মাধ্যমে। আর এই হামলার জন্য দায়ী থাকবে উত্তর প্রদেশ সরকার বলেও ওই কলে জানানো হয়েছে।
মঙ্গলবার ১৮ জুলাই ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভির প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়। এতে বলা হয়, গত সপ্তাহে এক অজ্ঞাত পরিচয়ের ব্যক্তি মুম্বাই পুলিশের ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ কক্ষে ফোন কলের মাধ্যমে এই হুমকি দেন।
মুম্বাই পুলিশ ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে একটি মামলাও করেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, মুম্বাই পুলিশের ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ কক্ষ কলটি পেয়েছিলেন। অপরিচিত ওই ব্যক্তিটি উর্দুতে কথা বলছিলেন। তিনি বলেন, ২৬ নভেম্বর ২০০৮ সালে মহারাষ্ট্রের রাজধানীতে হামলার মতো আরও একটি হামলা হতে যাচ্ছে। এর জন্য উত্তর প্রদেশ সরকার দায়ী থাকবেন।
মুম্বাই পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, এরই মধ্যে তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। আর মামলাটি ক্রাইম ব্রাঞ্চে স্থানান্তর করা হয়েছে এবং এর তদন্ত চলছে বলেও জানান তিনি।
পুলিশের ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ কক্ষের এক কর্মকর্তা জানান, কলটি একটি অ্যাপের মাধ্যমে করা হয়েছে। কলকারীর ঠিকানা জানার চেষ্টা চলছে।
কলটি আসে উত্তর প্রদেশের গ্রেটার নয়ডায় থেকে একটি ডানপন্থী গোষ্ঠী সীমাকে নিয়ে হুমকি দেওয়ার পর। তারা ‘৭২ ঘণ্টার মধ্যে’ সীমাকে দেশে ফেরত পাঠানোর জন্য হুমকি দিয়েছিলেন।
৩০ বছর বয়সী পাকিস্তানী নাগরিক সীমা হয়দার গ্রেটার নয়ডার বাসিন্দা প্রেমিক শচীন মীনাকে (২২) বিয়ে করেন। তিনি গত মে মাসে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন। জানা যায়, অনলাইনে পাবজি গেম খেলতে গিয়ে তাদের দু’জনের মাঝে বন্ধুত্ব হয়।
গ্রেটার নয়ডায় স্থানীয় পুলিশ ৪ জুলাই মিসেস হায়দারকে ভিসা ছাড়া নেপাল হয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের অভিযোগে গ্রেফতার করে। আর একই দিনে শচীনকে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছিল। যদিও পরবর্তীতে ৭ জুলাই আদালতের মাধ্যমে তাদের জামিন হয়।








