পিএসএলের দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে ইসলামাবাদ ইউনাইটেডের বিপক্ষে ব্যাটে-বলে ভুলে যাওয়ার মতো একটি দিন কাটল সাকিব আল হাসানের। ছয় দিনের মধ্যে দ্বিতীয়বার শূন্য রানে আউট হলেন। বোলিংয়েও কোনো উইকেট শিকার করতে পারেননি। তবে বল হাতে রাঙিয়েছেন রিশাদ হোসেন। টাইগার স্পিনার নিয়েছেন তিন উইকেট। রিশাদের আলো ছড়ানোর দিনে ইসলামাবাদকে ৯৫ রানে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে লাহোর কালান্দার্স।
ঘরের মাঠ গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে টসে জিতে আগে ব্যাটে নামে লাহোর। নির্ধারিত ওভার শেষে ৮ উইকেটে ২০২ রান করে স্বাগতিক দলটি। জবাবে নেমে ১৫.১ ওভারে ১৫.১ ওভার ব্যাট করে ১০৭ রানে গুটিয়ে যায় ইসলামাবাদ। আগামী রোববার একই মাঠে ফাইনালে কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্সের মুখোমুখি হবে লাহোর।
ইনিংসের চার বল বাকি থাকতে ব্যাটিংয়ে নেমে প্রথম বল ব্যাটে ছোঁয়াতে পারেননি সাকিব। ইংলিশ পেসার টাইমাল মিলসের করা পরের বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন বাংলাদেশের অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার। তার বিদায়ের পর নামেন রিশাদ। প্রথম বলে চার মারেন তিনি ডিপ মিডউইকেট দিয়ে। ইনিংসের শেষ বলে দুই রান নিতে গেলে রানআউট হয়ে যান। ২ বলে ৫ রান করেন।
বল হাতে রিশাদ ৩ ওভারে ৩৪ রান খরচায় ৩ উইকট নেন। সাকিব ৩ ওভারে ২৭ রান খরচ করে উইকেটশূন্য থাকেন। লাহোরের হয়ে খেলতে যাওয়া আরেক বাংলাদেশি ক্রিকেটার মেহেদী হাসান মিরাজ এদিনও সুযোগ পাননি একাদশে।
দুই শতাধিক রানের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ইসলামাবাদকে ব্যাটে পাঠিয়ে শুরু থেকেই চেপে ধরেন লাহোর বোলাররা। রিশাদের পাশাপাশি তিনটি করে উইকেট নেন শাহিন শাহ আফ্রিদি ও সালমান মির্জা। শাহিন ৩.১ ওভার বল করে এক মেডেন আদায় করে কেবল ৩ রান খরচ করেন। সালমান মির্জা ৩ ওভারে খরচ করেন ১৬ রান।
ইসলামাবাদ ব্যাটারদের মধ্যে কেবল দুজনই দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছাতে পেরেছেন। সালমান আঘা ৩৩ রান এবং শাদাব খান ১৪ বলে ২৬ রান করেন।
এর আগে ব্যাটে নেমে লাহোরের দুই ব্যাটার ফিফটি পেয়েছেন। কুশল পেরেরা ৩৫ বলে ৬১ রান এবং মোহাম্মদ নাঈম ২৫ বলে ৫০ রান করেন। এছাড়া আব্দুল্লাহ শফিক ২৫ রান এবং ভানুকা রাজাপাকসে ১৫ রান করেন।
ইসলামাবাদের হয়ে টাইমাল মিলস তিন উইকেট নেন। সালমান ইরশাদ নেন দুই উইকেট।









