কিশোরগঞ্জের হাওরে ডুবে গত আড়াই মাসে ২১ জন পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত অবস্থায় উদ্ধার হয়েছে ১০ পর্যটক। এজন্য হাওরে ভ্রমণের ক্ষেত্রে ১০ সতর্কবার্তা দিয়েছে জেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার রাতে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শামীম আলম এসব নির্দেশনা দিয়েছেন।
১০টি সতর্কবার্তা হলো:
১। সাঁতার না জেনে এবং পানির গভীরতা সম্পর্কে অবগত না হয়ে যত্রতত্র পানিতে না নামা।
২। চলন্ত নৌযানে/নৌকার কিনারায় বা ঝুকিপূর্ণ স্থানে অবস্থান না করা।
৩। যাত্রাপথে নিরাপত্তার স্বার্থে লাইফ জ্যাকেট বা বয়া ব্যবহার নিশ্চিত করা।
৪। বৈদ্যুতিক খুঁটি বা তারের সন্নিকটে নৌকা গমনে সতর্কতা অবলম্বন করা।
৫। সন্ধ্যার পর এবং বৈরি আবহাওয়ার মধ্যে নৌকায় ভ্রমণ পরিহার করা।
৬। নৌকায় উচ্চস্বরে বাদ্যযন্ত্র না বাজানো।
৭। কোনো অচেনা স্থানে ভ্রমণে সতর্কতা অবলম্বন করা এবং অপরিচিত ব্যক্তি সঙ্গে কোনো ধরনের লেনদেন, ভ্রমণ বা খাদ্যগ্রহণ হতে বিরত থাকা।
৮। হাওরের সৌন্দর্য ও পরিবেশ রক্ষার্থে ময়লা আবর্জনা (বিশেষ করে পানির বোতল, চিপসের প্যাকেট) ইত্যাদি পানিতে না ফেলে নিদিষ্ট স্থানে ফেলা।
৯। ২০ মিটার এর কম যাত্রীবাহি নৌযানে সর্বোচ্চ ২০ জন যাত্রী ও ৪০ হর্স পাওয়ার এর নিচে যাত্রীবাহি স্পীডবোটে সর্বোচ্চ ১০ জন বেশি যাত্রী ভ্রমণ না করা।
১০। হাওরের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলা।
কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শামীম আলম বলেন, এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলেছি। যে স্থানগুলো থেকে নৌযান পর্যটকদের নিয়ে যাত্রা শুরু করে সেই স্থানগুলোতে সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড বা বিলবোর্ডে লাগিয়ে দেয়া হবে। এছাড়াও ট্রলার এবং স্পিডবোটেও সতর্কতামূলক বার্তাগুলো থাকবে। সার্বক্ষণিক সতর্কতামূলক প্রচারণায় গুরুত্ব দিয়ে নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে হাওরে।








