বিপিএলে এবারের আসরে প্রথম ছয় ম্যাচের কোনটিতে হারেনি গ্লোবাল সুপার লিগ চ্যাম্পিয়ন রংপুর রাইডার্স। টেবিলে শীর্ষে থাকা দলটিকে প্রথম হারের স্বাদ দিতে যাচ্ছিল মেহেদী হাসান মিরাজের খুলনা টাইগার্স। শেষঅবধি নার্ভ ধরে রেখে ৮ রানের জয় ছিনিয়ে নিয়েছে রংপুর।
হারে আসরে পাঁচ ম্যাচ খেলে দুই জয়ে টেবিলের চারে থাকল খুলনা। ঢাকায় প্রথম দুই ম্যাচে জয়ের পর সিলেটে এসে দুর্বার রাজশাহী ও সিলেট স্ট্রাইকার্সের কাছে হেরেছিল তারা। শেষ ম্যাচে জিতি জিতি করেও জয়ের ধারায় ফিরতে পারল না দলটি।
জয়ের জন্য ১৮৭ রানের বড় লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ঠিকঠাক হয় খুলনার। পাওয়ার প্লেতে এক উইকেট হারালেও আসে ৫৭ রান। পাওয়ার প্লের শেষ দুই ওভারে রেজাউর রহমান ও নাহিদ রানার উপর তাণ্ডব চালান মেহেদী হাসান মিরাজ।
নাঈম শেখ ও অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ৪৩ বলে ৬১ রান তোলেন। মিরাজ ৩৯ করে আউট হলেও ফিফটি তুলে নেন নাঈম। এরপর আফিফ হোসেনের সাথে ২২ বলে ৪৫ রানের জুটি গড়ে ৫৮ করে বাঁহাতি এ ওপেনার সাজঘরে ফেরেন।
সেখান থেকে মাহিদুল অঙ্কনকে নিয়ে কাজ কিছুটা এগিয়ে রাখেন আফিফ হোসেন। আফিফ ১৫ বলে ২৯ রানের ইনিংস খেলে আউট হলে পথ হারায় খুলনা। মাহিদুলের পর নাওয়াজ ও ইমরুল কায়েসের আউটে ৯ উইকেটে ১৭৮ রানে থামে দলটি। রংপুর জয় পায় ৮ রানে।
রংপুরের আকিফ জাভেদ নিয়েছেন ৩টি উইকেট। শেখ মেহেদী হাসান ও সাইফউদ্দিন নিয়েছেন ২টি করে উইকেট।
টসে জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন রংপুর রাইডার্স অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহান। প্রথমে ধীরে ব্যাট করলেও মিডল ওভারে খুশদিল শাহ ও ইফতেখার আহমেদের ঝড়ে বড় সংগ্রহ গড়ে রংপুর। নির্ধারিত ওভার শেষে ৫ উইকেট হারিয়ে সোহানদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৮৬ রান।
রংপুরের পক্ষে ঝড় তোলেন খুশদিল শাহ, ৩৫ বলে বাঁহাতি ইনিংস সর্বোচ্চ ৭৩ রান করেন। তার ইনিংসে ছয়টি ছক্কা এবং চারটি চারের মার ছিল। তাকে সঙ্গ দেয়া ইফতেখারও কম যাননি, খেলেছেন ৩৬ বলে ৪৩ রানের ইনিংস।
অন্যদের মধ্যে ওপেনার তৌফিক খানের থেকে আসে ৩৬ রান। স্টিভেন টেইলর ও সাইফ হাসান তেমন সুবিধা করতে পারেননি। শেষ বলে সোহান রানআউট হলেও অপরাজিত থাকেন খুশদিল।
খুলনা টাইগার্সের দেশিয় দুই পেসার আবু হায়দার রনি ও হাসান মাহমুদ নিয়েছেন ২টি করে উইকেট।









