বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য ৭ ডিসেম্বর সকালে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে লন্ডন নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি ৬ ডিসেম্বর বিকেলে ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
আজ ৫ ডিসেম্বর শুক্রবার একটি বিশ্বস্ত সূত্র চ্যানেল আই অনলাইনকে জানিয়েছে, কাতারের এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে আজ খালেদা জিয়ার লন্ডনে যাওয়ার কথা থাকলেও তিনি আজ যাচ্ছেন না। জর্জিয়ার একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তিনি লন্ডন যাবেন। এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি বর্তমানে জর্জিয়ার রাজধানী তিবিলিসির বিমানবন্দরে আছে।
পুরো যাত্রাপথে তার সঙ্গে থাকবেন পুত্রবধূ ডা. জোবায়দা রহমান। লন্ডন থেকে সার্বিক সমন্বয় করছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান। এরই মধ্যে লন্ডন থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন ডা. জোবায়দা রহমান। বুধবার বাংলাদেশ সময় রাত ১১টা ৩০ মিনিটে তিনি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-২০২ ফ্লাইটে হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে রওনা দেন। ঢাকা পৌঁছে সরাসরি এভারকেয়ার হাসপাতালে যাওয়ার কথা রয়েছে তার।
এর আগে বিকেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন জানান, ডা. জোবায়দা লন্ডন থেকেই খালেদা জিয়ার বিদেশ যাত্রার প্রস্তুতি সমন্বয় করছেন। তিনি বৃহস্পতিবার রাতেই ঢাকায় পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন, যেন খালেদা জিয়ার লন্ডনযাত্রায় সঙ্গে থাকতে পারেন।
বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানান, উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় তাকে লন্ডনে নেওয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা জটিল হওয়ায় দ্রুততম সময়ে বিদেশ নেওয়ার উদ্যোগ চলছে।
খালেদা জিয়া বর্তমানে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, উন্নত ধরনের কিছু চিকিৎসা সুবিধা দেশে না থাকায় তার বিদেশে স্থানান্তর জরুরি হয়ে পড়েছে।









