আজহার হীরা: ৭২ ঘন্টা সড়ক অবরোধ কর্মসূচির আজ দ্বিতীয় দিন চলছে। এখন পর্যন্ত খাগড়াছড়ি জেলার কোথাও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। দ্বিতীয় দিনের মতো সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। আন্তঃজেলা ও আভ্যন্তরীণ সড়কে গাড়ি চলছে না।
এদিকে দেশের অন্যতম আকর্ষণীয় অবকাশ কেন্দ্র সাজেকে আটকা পড়েছেন কয়েকশ পর্যটক। অবরোধের কারণে তারা ফিরতে পারছেন না। তবে আটকে পড়া পর্যটকদের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা কেউই নিশ্চিত করতে না পারলেও নিরাপত্তা বাহিনী সুত্রে জানা গেছে সে সংখ্যা প্রায় ১৪শ হতে পারে।
সাজেকে অবস্থানরত পর্যটকদের আবাসনের জন্য কোন ৫০ শতাংশ ভাড়া ডিসকাউন্ট দিচ্ছেন রিসোর্ট মালিকরা। তবে এভাবে চলতে থাকলে খাদ্য সংকটের আশঙ্কা করছেন তারা। নিরাপত্তা বাহিনীর সুত্রে জানানো হয়, রাস্তায় নানাভাবে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে অবরোধকারীরা। তবে পর্যটকদের ফিরিয়ে আনার কাজ চলছে। এদিকে খাগড়াছড়িতেও আটকা পড়েছে অনেক পর্যটক।
অবরোধের কারণে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটিতে সহিংসতার প্রতিবাদে ঢাকা থেকে বিক্ষুব্ধ জুম্ম ছাত্র জনতার সমাবেশ থেকে এই অবরোধের ডাক দেয়া হয়। আঞ্চলিক সংগঠন ইউপিডিএফ অবরোধ কর্মসূচির প্রতি সমর্থন জানিয়েছে।
অন্যদিকে, গতকাল বিকেলে খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্থ বাজার পরিদর্শন করেছেন সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম। তিনি শনিবার শেষ বিকেলে সড়ক পথে ফেনী থেকে দীঘিনালায় পৌঁছান। সেখানে ক্ষতিগ্রস্থ সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলেন। পরে তিনি বাস টার্মিনাল এলাকায় স্থানীয় পাহাড়ি ও বাঙালিদের সাথে মতবিনিময় করেন।
এ সময় তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘পাহাড়ে নানা ধরণের বৈষম্য রয়েছে। এখানে বসবাস করা জনগোষ্ঠীর নানা রকমের বঞ্চনা রয়েছে। আমরা লড়াই সংগ্রাম করে যে নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখছি, সেখানে কোন বৈষম্য থাকবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।








