মৌসুমের সবচেয়ে বড় অঘটনের শিকার হয়েছে প্রিমিয়ার লিগ ও চ্যাম্পিয়ন্স লিগে শীর্ষে থাকা লিভারপুল। এফএ কাপে চতুর্থ রাউন্ডে ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় সারির লিগ চ্যাম্পিয়নশিপের তলানির দল প্লাইমাউথ আর্গিলের কাছে হেরে বিদায় নিতে হয়েছে দলটিকে। ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় হয়েছেন ডিফেন্ডার নিকোলো ক্যাটিচ। তিনি জানিয়েছেন, পুরনো প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণে দলের গোলরক্ষক কনোর হ্যাজার্ডকে ঘৃণা করতেন।
এল ক্ল্যাসিকোর বার্সা-রিয়াল বা ম্যানচেস্টার ডার্বির মতো দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় স্কটল্যান্ডের সেল্টিক এবং রেঞ্জার্সের মধ্যে। তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হওয়া লিগের সেল্টিকে খেলতেন প্লাইমাউথের গোলরক্ষক হ্যাজার্ড আর রেঞ্জার্সে খেলতেন ক্যাটিচ। এ কারণে নিজেদের গোলরক্ষক হওয়ার পরও তাকে ঘৃণা করতেন ক্যাটিচ।
ম্যাচ জয়ের প্রতিক্রিয়ায় ক্যাটিচ জানিয়েছেন, ‘এজন্যই আমি এখানে এসেছি। এ জয় আমাদের আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। রক্ষণে আমরা ভালো প্রতিরোধ গড়েছিলাম এবং বাকিরাও শতভাগ দিয়েছে। কোচ আমাদের কাছে যেমন চেয়েছিল তেমন খেলেছি।’
ম্যাচের ৭৫ শতাংশ বল দখলে রাখা লিভারপুলকে পুরোটা সময় হতাশ করেছেন প্লাইমাউথের হ্যাজার্ড। অসাধারণ সব সুযোগ ঠেকিয়ে গোলবঞ্চিত রাখেন ডিয়েগো জোতা বা ফেদেরিকো কিয়েসাদের। গোলমুখে আসা চার শটের সবগুলো ঠেকিয়ে দেন নর্দান আয়ারল্যান্ডের গোলরক্ষক।
গোলকিপার হ্যাজার্ডকে নিয়ে ক্যাটিচ বলেছেন, ‘এখানে আসার পর আমি হ্যাজার্ডকে ঘৃণা করতাম কারণ সে সেল্টিকে খেলতো। তবে আমি রেঞ্জার্সের অনেক বড় সমর্থক। সে আমাদের জয় উপহার দিয়েছে। এটা আমাদের জন্য অনেক বড় একটি মুহুর্ত।’
বসনিয়ার এ ডিফেন্ডার ২০১৮-২০২১ পর্যন্ত তিন মৌসুম রেঞ্জার্সের হয়ে খেলেছেন। ২০২২ সালে জুরিখে যাওয়ার পর জানুয়ারিতে ধারে প্লাইমাউথে খেলতে আসেন।









