বেঙ্গালুরুর নিজ ফ্ল্যাট থেকেই উদ্ধার হলো কন্নড় ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় পরিচালক গুরুপ্রসাদের পচাগলা ঝুলন্ত দেহ।
রবিবার (৩ নভেম্বর) জনপ্রিয় কন্নড় অভিনেতা তথা পরিচালক গুরুপ্রসাদের মৃতদেহ তাঁর ফ্ল্যাটের ভিতর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। ধারণা করা হচ্ছে, সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছেন এই পরিচালক।
কিন্তু কী কারণে আত্মহননের মতো চরম সিদ্ধান্ত নিতে হল পরিচালককে? জানা গেছে, সম্প্রতি দ্বিতীয় বিয়ে করেছিলেন গুরুপ্রসাদ। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, আর্থিক সঙ্কটে জর্জরিত হয়েই আত্মহত্যা করেছেন গুরুপ্রসাদ।
তিনি ‘মাতা’, ‘এদেলু মঞ্জুনাথ’-এর ছবি পরিচালনা করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন। তার আসন্ন প্রজেক্ট ‘আদেমা’র কাজ এখনও শেষ হয়নি। তবে শুধু ক্যামেরার পিছনে নয়, ক্যামেরার সামনেও সমান স্বাচ্ছন্দে ছিলেন তিনি। বেশ কিছু কন্নড় ছবিতে অভিনয়ও করেছেন পরিচালক।
এদিকে শোনা যাচ্ছে, সম্প্রতি পরিচালকের বিরুদ্ধে জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছিল। টোটাল কন্নড় বুকস্টোরের মালিক লক্ষ্মীকান্ত প্রয়াত পরিচালকের নামে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। তার দাবি, ২০১৯ সালে কন্নড় সাহিত্য ও সিনেমার সম্পর্কিত নানান বই কিনেছিলেন তিনি। ১০০টি বইয়ের উপর ছাড়ও দাবি করেছিলেন। ৭৫টি বইয়ের মোট ৫টি করে সেট কিনেছিলেন ছাত্রদের জন্য। সেই বইয়ের ৬৫ হাজার টাকা দাম মেটাননি তিনি।
এমনকি ফোনে পর্যন্ত যোগাযোগ করা যাচ্ছিল না পরিচালকের সঙ্গে, বাড়ির ঠিকানা পর্যন্ত বদলে ফেলেন গুরুপ্রসাদ।
গত কয়েকদিন ধরেই পরিচালককে বাড়ির বাইরে বেরোতে দেখেননি প্রতিবেশীরা। অ্যাপার্টমেন্ট থেকে দুর্গন্ধ আসতে শুরু হলে পুলিশে খবর দেন আশেপাশের এলাকার মানুষেরা। পরবর্তীতে পুলিশ এসে পরিচালকের পচাগলা দেহ উদ্ধার করে। ইতোমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।- হিন্দুস্থান টাইমস









