নেশাগ্রস্ত হয়ে গাড়ি চালানোর অভিযোগ নিউ ইয়র্কে গ্রেপ্তার হলেন মার্কিন পপ তারকা জাস্টিন টিম্বারলেক। গত মঙ্গলবার তাকে রাস্তায় পুলিশ প্রথমে আটকায় ব্রেথলাইজার টেস্টের জন্য। তবে তা দিতে অস্বীকার করেন তিনি। পরে নিউ ইয়র্কের স্যাগ হার্বারে গ্রেপ্তার হন তিনি।
জানা যায়, যে পুলিশ আমেরিকান তারকাকে আটকেছিল, সে এতটাই তরুণ ছিল যে, সে ‘ফ্রেন্ডস উইথ বেনিফিট’ তারকাকে চিনতেও পারেনি। যা আরও বেশি ‘অপমানজনক’ লাগে জাস্টিন টিম্বারলেকের।
পুলিশ কর্মকর্তারা যখন ট্র্যাফিক আইন লঙ্ঘনের জন্য টিম্বারলেককে থামান, তখন তার বন্ধুরা পুলিশকে বলছিল, ‘ওকে যেতে দাও, ওকে যেতে দাও’। ব্রেথলাইজার টেস্ট নিতে অস্বীকার করেছিলেন এই তারকা।
সূত্রের খবর, টিম্বারলেককে থামানো অফিসার এতটাই কম বয়সী ছিলেন যে তিনি জানতেনও না যে তিনি কে। ‘তিনি তাকে দেখে বা তার নাম শুনে চিনতে পারেননি’, জানায় অভ্যন্তরীণ সূত্রটি।
অন্য একটি সূত্রের দাবি, টিম্বারলেকের চিন্তা ছিল এই ঘটনা তার ক্যারিয়ারে খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে। এমনকি গ্রেপ্তারের সময় বিড়বিড় করে বলতেও শোনা যায়, ‘এটি ট্যুর নষ্ট করতে চলেছে।’ এরপর যখন পুলিশ তাকে প্রশ্ন করে, ‘কীসের ট্যুর’? তাতে জবাব আসে, ‘ওয়ার্ল্ড ট্যুর’।
৪৩ বছর বয়সী টিম্বারলেককে মধ্যরাতের ঠিক পরে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল এবং ডিডাব্লুআইয়ের পাশাপাশি স্টপ সাইনে না থামার জন্য এবং সঠিক লেনে থাকতে ব্যর্থ হওয়ার জন্য ট্র্যাফিক লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছিল।
তার আইনজীবী এডি বার্ক জুনিয়র, যিনি হ্যাম্পটনের একজন বিশিষ্ট আইনজীবী, গ্রেপ্তারের বিষয়ে বিস্তারিত কিছু না জানালেও নিশ্চিত করেছেন, ‘তিনি ভালো ব্যবহার করেছেন। তিনি মোটেও কোনও অধিকার দেখাননি। তিনি পরীক্ষা প্রত্যাখ্যান করেছিলেন, তবে এটি তার অধিকার।’
বার্ক জুনিয়রের অফিসটি আমেরিকান হোটেলের রাস্তার ওপারে অবস্থিত, যেখানে টিম্বারলেক খাবার খাচ্ছিলেন। অভিযুক্ত হওয়ার পরে, টিম্বারলেককে শর্তসাপেক্ষে জামিন দেওয়া হয়। তবে তার নিউ ইয়র্ক লাইসেন্স স্থগিত করা হবে।
মঙ্গলবার সকালে টিম্বারলেককে একটি ধূসর ভিনটেজ টি-শার্ট, কালো জ্যাকেট, নীল জিন্স এবং সাদা নাইকি এয়ার ফোর্স স্নিকার্সের সঙ্গে একটি কালো বেসবল ক্যাপ এবং সানগ্লাস পরে পুলিশ স্টেশন থেকে বেরিয়ে যেতে দেখা গিয়েছে।
আগামী শুক্রবার ও শনিবার শিকাগোর ইউনাইটেড সেন্টারে দুটি আসন্ন কনসার্ট সহ টিম্বারলেক তার ফরগেট টুমরো ওয়ার্ল্ড ট্যুরে রয়েছেন বর্তমানে।









