আলোচিত সব সিনেমা পরিবার নিয়ে হলে এসে উপভোগ করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঈদে মুক্তি পাওয়া শাকিব খানের ‘তুফান’ দেখেও তিনি মুগ্ধ হয়েছেন।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী সিনেমাটি নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং প্রতিক্রিয়া জানান। পলক বলেন, ‘তুফান! এক কথায় বলতে গেলে উরাধুরা। এতে রয়েছে ফুল অব ইমোশন, এন্টারটেইনমেন্ট ও টুইস্ট। একেবারেই বিশ্বমানের একটা সিনেমা। যতটুকু প্রত্যাশা নিয়ে এসেছিলাম, তার চেয়ে বহুগুণ বেশি নিয়ে ফিরে যাচ্ছি।
“পরিচালক রায়হান রাফী পরিচালিত ‘তুফান’ আমাদের বাংলা চলচ্চিত্রকে একটি অন্য মাত্রায় নিয়ে গেছে। আমাদের মেগাস্টার শাকিব খান ভিন্নরূপে আবির্ভূত হয়েছেন। যেই জায়গাটাতে আমরা মেগাস্টার শাকিব খানকে দেখি, তুফান সিনেমার মধ্য দিয়ে শাকিব ভিন্ন উচ্চতায় পৌঁছে গেছেন। তিনি প্রমাণ করেছেন যে, শাকিব সেরাদের সেরা।”
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সব মিলিয়ে ডিরেকশন, অভিনয়, মিউজিক, অ্যাকশন, নিয়ে ‘তুফান’ একটি চমৎকার সিনেমা। আমরা এখন বলতে পারি, চলচ্চিত্রে যেকোনোভাবেই আমরা বলিউড কিংবা হলিউডের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দিতা করতে পারি।
“গত দুই বছরের যেকোনো সুপারহিট হলিউড, বলিউড মুভির সঙ্গে তুফানকে তুলনা করতে চাইলে একদম নিরপেক্ষ অবস্থান থেকে যে কেউ স্বীকার করবেন। আমি ছবি দেখে খুবই আনন্দিত এবং আমাদের এই সিনেমা বিশ্বমানের হচ্ছে। আমার স্বী সন্তান সবাই প্রত্যেকেই মন্ত্রমুগ্ধের মতো উপভোগ করি।”-বলছিলেন পলক।
প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, সারা পৃথিবী জুড়ে ৪০ কোটি মানুষ বাংলা ভাষায় কথা বলেন। আমি আগেই শুনেছি, শাকিব ভাই বলতেন একদিন বাংলাদেশের সিনেমা আন্তর্জাতিক বাজারে নেতৃত্ব দেবে। হয়তো অনেকে তার এই কথায় একমত হতেন না, সন্দেহ করতেন। ‘তুফান’ দেখার পর যাদের বিশ্বাস হতো না তারাও বিশ্বাস করবেন, হ্যাঁ আমাদের সিনেমা বিশ্বের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে পারবে। আমি আত্মবিশ্বাসী, আমাদের এই বাংলা সিনেমা বিশ্বজয় করবে।
এদিকে প্রতিমন্ত্রী পলকের সহধর্মিণী আরিফা জেসমিন (কনিকা) বলেন, ‘আমি জওয়ান দেখে বলেছিলাম সিনেমাটি আবার দেখতে হবে। এবার তুফান দেখে বলছি কয়েকবার দেখতে হবে।’









