জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে নিহত ব্যক্তিদের গণকবর শনাক্তকরণসহ ৫ দাবি জানিয়েছে ‘জুলাই রেভ্যুলেশনারী এলায়েন্স’ এবং ‘জুলাই কমিউনিটি এলায়েন্স’। দাবি আদায়ে অনশন কর্মসূচির হুঁশিয়ারিও দিয়েছে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।
বুধবার (২৮ মে) এক বিশেষ আলোচনা সভায় জুলাই রেভ্যুলেশনারী এলায়েন্স এবং জুলাই কমিউনিটি এলায়েন্স মিরপুরের যৌথ আয়োজনে গণকবর শনাক্তকরণ এবং শহীদদের স্মৃতি সংরক্ষণে ৫ দফা দাবিতে এক তীব্র অবস্থান ঘোষণা করা হয়।
জুলাই রেভ্যুলেশনারী এলায়েন্স এর আহ্বায়ক সালেহ মাহমুদ রায়হানের সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য রাখেন- জুলাই কমিউনিটি এলায়েন্স মিরপুর এর সমন্বয়কারী মোহাম্মদ রোমেল, সাংবাদিক ইমরান মাহফুজ, শহীদ শেখ শাহরিয়ার বিন মতিনের বাবা মো. আব্দুল মতিন, শহীদ জাবির ইব্রাহিমের বাবা কবির হোসেন, শহীদ আসাদুল্লাহ’র স্ত্রী ফারজানা আক্তার এবং শহীদ সোহেল রানার ভাই আলভি নাবিল।
বক্তারা সকলেই গভীর আবেগ ও রাগের সঙ্গে তুলে ধরেন, কীভাবে দীর্ঘদিন ধরে শহীদদের গণকবর অরক্ষিত, অশনাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। তারা সরকার ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নির্লজ্জ নীরবতায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
তাদের উত্থাপিত ৫ দফা দাবি:
প্রত্যেকটি গণকবর শনাক্ত করতে হবে ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে; শনাক্ত হওয়ার পর প্রতিটি কবরের উপর শহীদের নাম সংবলিত নামফলক স্থাপন করতে হবে; কবরস্থানের একটি মর্যাদাপূর্ণ নামকরণ করতে হবে; জুলাই ঘোষণাপত্রে গণকবর বিষয়ক স্পষ্ট উল্লেখ থাকতে হবে- অন্যথায় আমরা ওই ঘোষণাপত্র মেনে নেব না। উপরোক্ত দাবিগুলো বাস্তবায়ন না হলে, আগামী ১ জুলাই থেকে মন্ত্রণালয়ের সামনে লাগাতার অনশন কর্মসূচি শুরু করা হবে।
এই ঘোষণার মাধ্যমে বক্তারা পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দেন- শহীদদের আত্মত্যাগ কোনোভাবেই বিস্মৃত হতে দেওয়া হবে না।









