পিলখানা হত্যাকাণ্ড, গুম-খুন, ‘আয়নাঘর’, শাপলা ম্যাসাকার ও ভোট ডাকাতিসহ শেখ হাসিনার ১৬ বছরের দুঃশাসনের পুরো ইতিহাসই স্থান পেতে যাচ্ছে আসন্ন জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে। ঐতিহাসিক তথ্য-নির্ভর এই জাদুঘর নির্মাণে কাজ করছে অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়।
শনিবার (৮ নভেম্বর) রাতে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বিস্তৃত কাজের পরিসর তুলে ধরে একটি পোস্ট দেওয়া হয়।
“সবার রঙে, সবার সুরে / নতুন প্রাণের ঐকতানে”— এই স্লোগানে প্রকাশিত পোস্টটিতে মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন উদ্যোগ ও কর্মসূচির ফটোকার্ড শেয়ার করে লেখা হয়,“সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে উঠে এসেছে বিস্তৃত, অন্তর্ভুক্তিমূলক সংস্কৃতির বাংলাদেশ। বহু ভাষা, বহু রঙ, বহু সুরের বাংলাদেশকে তুলে ধরতে আরও নানান ধরনের কর্মসূচির কাজ চলমান।”
পোস্টে আরও জানানো হয়, “সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় জুলাইয়ের ডকুমেন্টারির প্রতিটি পর্বে এবং জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের প্রতিটি দেয়ালে তুলে ধরা হচ্ছে ১৬ বছরের নিপীড়নের ইতিহাস। শিগগির উন্মুক্ত হবে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর।”
মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত এক ফটোকার্ডে বলা হয়েছে, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতিকে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে জাগরুক রাখার প্রত্যয়ে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’-এর নির্মাণ কাজ পূর্ণ গতিতে চলছে। এ বছরের মধ্যেই কাজ শেষ করে সাধারণ দর্শকের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার আশা করা যাচ্ছে।”
প্রধান উপদেষ্টার ওই পোস্টটি শেয়ার করেন সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। তিনি লেখেন,“আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি! আশা করি আমাদের উত্তরসূরিরা এটিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে।”








