আপাতত বন্ধ রয়েছে জাকসু নির্বাচনের ভোট গণনা কার্যক্রম। ওএমআর নাকি ম্যানুয়াল, কোন পদ্ধতিতে ভোট গণনা হবে তা নিয়ে চলছে রির্টানিং কর্মকর্তাদের জরুরি সভা।
জরুরি এ সভা শেষে জানানো হবে সিদ্ধান্ত। ওএমআর পদ্ধতিতে গোনা না হলে, বাকি ৩টি হলের গণনা বন্ধ থাকবে। ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে ভোট গণনা নিয়ে ক্ষোভ জানিয়েছে শিক্ষার্থী এবং পদপ্রার্থীরাও।
বিকেলে জাকসু নির্বাচনে ভোট গণনা বর্জনের ঘোষণা দিয়ে নওয়াব ফয়জুন্নেসা হল কেন্দ্রের রিটার্নিং কর্মকর্তা সুলতানা আকতার বলেন, এনালগ পদ্ধতিতে ভোট গণনা করলে তিন দিনেও ভোট গণনা শেষ হবে না।
সংবাদ সম্মেলনে এই শিক্ষক বলেন, ‘আমার সহকর্মীর (চারুকলার শিক্ষক জান্নাতুল ফেরদৌস) মৃত্যুর জন্য প্রশাসন দায়ী। যদি মেশিনে ভোট গণনা হত হয়তো আমরা আমাদের সহকর্মীকে হারাতাম না। গত তিন দিন ধরে আমরা অমানুষিক পরিশ্রম করে যাচ্ছি। আমাদের কি পরিবার নাই? শারীরিক মানসিক ক্লান্তি নেই?’
তিনি আরও বলেন ‘চারুকলা বিভাগের শিক্ষিকার মৃত্যুতে তার অন্য সহকর্মীরা ভেঙে পড়েছেন, যাদের মধ্যে অনেক রিটার্নিং ও পোলিং অফিসারও রয়েছেন। তারা এখন কীভাবে দায়িত্ব পালন করবেন? এভাবে এনালগ পদ্ধতিতে ভোট গণনা করলে তিন দিনেও ভোট গণনা শেষ হবে না। আমরা শিক্ষক, এসব আর মেনে নিতে পারছি না।’
এর আগে, গতকাল সকাল ৯ টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ওএমআর পদ্ধতিতে গণনার কথা থাকলেও ছাত্রদলসহ কয়েকটি প্যানেলের আপত্তিতে তা ম্যানুয়ালি করা হয়।
এ কারণে নির্বাচনের প্রায় ২০ ঘণ্টা বেরিয়ে গেলেও হল সংসদের ভোট গণনা শেষ করতে পারেনি নির্বাচন কমিশন।









