স্বাধীন গণমাধ্যমের বিষয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে সাংবাদিকরা পূর্ণ স্বাধীনতা ভোগ করবে এবং সুরক্ষায় সরকার কাজ করবে।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তারেক রহমান এসব কথা বলেন।
এসময় তিনি জানান, রাজনৈতিক দল ও নেতাদের মধ্যে পারস্পরিক কাদা ছোড়াছুড়ির পরিবর্তে উন্নয়ন ও সমস্যা সমাধানে নীতি নির্ভর রাজনীতি করতে হবে। দেশে শুধুমাত্র গঠনমূলক আলোচনা ও বিতর্কের মাধ্যমেই উন্নয়ন সম্ভব।
তারেক রহমান ঢাকার যানজটসহ নাগরিক সমস্যা সমাধানে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি উৎপাদন ও অর্থনৈতিক ভিত্তি শক্তিশালী করার জন্য ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ডসহ বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।
তিনি ঢাকার চারপাশে স্যাটেলাইট সিটি গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেন, যেখানে ৪৫ মিনিট থেকে এক ঘণ্টার মধ্যে যাতায়াত সম্ভব হবে। এছাড়া পুরান ঢাকাকে আরও বাসযোগ্য করা এবং বুড়িগঙ্গা নদীকে লন্ডনের টেমস নদীর মতো গড়ে তোলা হবে।
কৃষির ক্ষেত্রে তিনি বলেন, সরকার গঠনের সুযোগ পেলে বিএনপি দেশের কৃষির সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা উন্নত করে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা নিশ্চিত করবে।
তারেক রহমান মানবিক রাষ্ট্র গঠনের তাগিদ দেন এবং বলেন, সকল নাগরিককে মর্যাদা অনুযায়ী অধিকার দিতে হবে।
তিনি ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে বলেন, দরিদ্র্য পরিবারের সদস্যরাই এটি ব্যবহার করবেন।
ডিআরইউ’র ভূমিকা প্রশংসা করে তিনি বলেন, সাংবাদিকরা নিরপেক্ষ থাকা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির কার্যনির্বাহী কমিটিকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ জানান।
মতবিনিময় শেষে ডিআরইউ তারেক রহমানকে আগামী ৩০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য পারিবারিক মিলন মেলায় অংশগ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানায় এবং শুভেচ্ছা স্মারক ও প্রকাশনা সামগ্রী তুলে দেয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল এবং কমিটির অন্যান্য সদস্যরা। বিএনপি চেয়ারম্যানের প্রেস সেক্রেটারি সালেহ শিবলী ও সিনিয়র সাংবাদিক আতিকুর রহমান রুমনও উপস্থিত ছিলেন।









