জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি সংসদ ভেঙে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে দেশটিতে আগাম নির্বাচনের পথ খুলে গেল। আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি দেশটির জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানানো হয়েছে।
বিবিসি জানিয়েছে, আজ ২৩ জানুয়ারি শুক্রবার সংসদের স্পিকার আনুষ্ঠানিকভাবে নিম্নকক্ষের ৪৬৫ জন সদস্যের পদভঙ্গের ঘোষণা পাঠ করেন। এসময় আইনপ্রণেতারা জাপানের রাজনৈতিক ঐতিহ্য অনুযায়ী ‘বানজাই’ ধ্বনি দেন। সংসদ ভাঙার ঘোষণার পরপরই ১২ দিনব্যাপী নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
জাপানের ইতিহাসে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি মাত্র তিন মাস আগে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। স্বল্প সময়ের মধ্যেই তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। সাম্প্রতিক জরিপে তার অনুমোদন রেটিং প্রায় ৭০ শতাংশে পৌঁছেছে। এই জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে ক্ষমতাসীন লিবারাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (এলডিপি) ও তাদের জোটসঙ্গী জাপান ইনোভেশন পার্টি (জেআইপি)-এর জন্য জনসমর্থন বাড়ানোর লক্ষ্যেই সংসদ ভাঙার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
এদিকে জাপান বর্তমানে দুর্বল ইয়েন ও বাড়তি জীবনযাত্রার ব্যয়ের চাপ মোকাবেলা করছে। ইয়েনের মান কমে যাওয়ায় আমদানি পণ্যের দাম বেড়েছে, যা সাধারণ মানুষের ওপর প্রভাব ফেলছে। এসব ইস্যুই আসন্ন নির্বাচনে ভোটারদের সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লেষরা।









