সূত্র: ডয়েচে ভেলে (ডিডব্লিউ)
তাইওয়ান প্রণালিতে প্রথমবারের মতো যুদ্ধজাহাজ পাঠিয়েছে জাপান। বুধবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ম্যারিটাইম সেল্ফ ডিফেন্স ফোর্সের (এমএসডিএফ) একটি যুদ্ধজাহাজ তাইওয়ান প্রণালিতে পাঠিয়েছে জাপান। তবে চীন দাবি করছে এটি তাদের এলাকা।
জাপানের রাষ্ট্রায়ত্ত সম্প্রচারমাধ্যম এনএইচকে জানিয়েছে, বুধবার এমএসডিএফের ডেস্ট্রয়ার সাজানামি তাইওয়ান প্রণালি হয়ে যাত্রা করেছে। পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের যুদ্ধজাহাজগুলোও দক্ষিণ চীন সাগরে যৌথ মহড়ায় অংশ নেয়ার জন্য এই পথ দিয়ে গেছে।
প্রতিবেদন অনুসারে, বুধবার সকালে জাপানের যুদ্ধজাহাজ পূর্ব চীন সাগর থেকে যাত্রা শুরু করে। ১০ ঘণ্টা পরে তা গন্তব্যে পৌঁছায়।
গত সপ্তাহে প্রথমবার চীনের এয়ারক্র্যাফট ক্যারিয়ার তাইওয়ানের কাছে জাপানের দুটি দ্বীপের পাশে চলে যায়। তার সঙ্গে ছিল দুটি ডেস্ট্রয়ার।
জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা এই যুদ্ধজাহাজকে তাইওয়ান প্রণালীতে যাওয়ার নির্দেশ দেন। কারণ তার মতে, জাপানের এলাকায় চীন অনুপ্রবেশ করেছে। তার কোনো জবাব না দিলে চীন আরও আগ্রাসী মনোভাব দেখাবে।
তবে জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর বিষয় নিয়ে কিছু জানায়নি। চীন বারবার দাবি করেছে, তারা তাইওয়ানকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনতে চায়। চীনের নেতা শি জিনপিং বারবার চীনের একীকরণের কথা বলছেন।
বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) জাপানের প্রধান মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেছেন, সম্প্রতি চীন বারবার নিজেদের আকাশসীমা অতিক্রম করে চলেছে। এ কারণে জাপান এক ধরনের চাপ অনুভব করছে। তবে যুদ্ধজাহাজের চলাচল বিষয়ে বিস্তারিত কোনো মন্তব্য করেননি তিনি।
সম্প্রতি এশিয়ার বাণিজ্য সমৃদ্ধ জলসীমায় যৌথ সামুদ্রিক নিরাপত্তা পদক্ষেপ সম্প্রসারণে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, ভারত ও জাপানের সমন্বয়ে গঠিত কোয়াড জোট। ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চীনের আধিপত্যের বিপরীতে এ জোটের শুরু।
হোয়াইট হাউজ বলেছে, কোয়াড সম্মেলন নির্দিষ্ট কোনো দেশকে লক্ষ্য করে নয়। তবে চীন বরাবরই কোয়াড গ্রুপের তীব্র বিরোধিতা করে আসছে। বেইজিং চীনকে বিচ্ছিন্ন করা ও এ অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়ানোর কৌশল হিসেবে এ জোটকে দেখছে।









